রবিবার রোজের মতোই সইদ কারখানায় যান। দুপুর ১২টা নাগাদ সেখানেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 24 September 2025 16:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ (property dispute) চলছিল বাবা-ছেলের মধ্যে। সেই রাগ থেকেই ৭০ বছর বয়সি ব্যবসায়ী মহম্মদ সইদকে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করালেন তাঁরই বড় ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ের (Mumbai) কান্দিভলিতে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় সইদের ছেলে হামিদ সইদ (৪১) এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার শানু চৌধুরী (৪০)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত আরও এক জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
কান্দিভলির চারকোপ এলাকায় সরকারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটে একটি মেটাল কারখানা রয়েছে মহম্মদ সইয়ের। রবিবার রোজের মতোই সইদ কারখানায় যান। দুপুর ১২টা নাগাদ সেখানেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে। শরীরে একাধিক ধারাল অস্ত্রের কোপ ছিল বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।
ঘটনাস্থলে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। সেই ফুটেজ পুলিশের হাতে এলে জানা যায়, সকালেই দু’জন সন্দেহভাজন কারখানায় ঢুকে প্রায় এক ঘণ্টা ভেতরে কাটায় এবং পরে ধারাল অস্ত্র দিয়ে সইদকে নৃশংসভাবে খুন করে। খুনের পর অস্ত্রটি কারখানার জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ সেটি উদ্ধার করেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত সুপারি কিলারের নাম মহম্মদ ইসলাম (২৬)। নবি মুম্বই থেকে ধরা পড়ে সে। জেরায় ইসলাম জানায়, খুনের নির্দেশ দিয়েছিলেন সইদের বড় ছেলে হামিদ ও তাঁর অংশীদার শানু।
তদন্তে জানা গিয়েছে, সইদের গ্লাস ফ্যাক্টরিতে প্রায় ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন শানু চৌধুরী। কিন্তু মুনাফা ভাগ দিতে অস্বীকার করেন সইদ এবং কারখানা বিক্রির পরিকল্পনা করেন। তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ছেলের সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র করেন শানু। সুপারি কিলার ইসলামকে দেওয়া হয় ৬.৫ লাখ টাকা।
পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পলাতক অপর এক খুনি। তাকে ধরতে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত এখনও চলছে।