
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী - ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 14 June 2024 10:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একের পর এক জঙ্গি হামলায় সন্ত্রস্ত জম্মু-কাশ্মীর। গত এক সপ্তাহে জঙ্গি হামলার তিনটি বড় ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ নাগরিকের পাশাপাশি নিহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন সেনা জওয়ান। এই অশান্ত পরিবেশের মধ্যেই এলাকাবাসীকে ভরসা জোগাতে আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ডাল লেকের ধারে আয়োজিত হবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান। খোলা আকাশের নিচে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন।
যোগ দিবসের অনুষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রী প্রথম থেকেই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এর আগে রাষ্ট্রসংঘেও যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বস্তুত, তাঁর উদ্যোগেই রাষ্ট্রসংঘ ২১ জুনকে আম্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসাবে ঘোষণা করে।
এবার সেই দিনটি তিনি জঙ্গি হামলায় সন্ত্রস্ত কাশ্মীরবাসীকে ভরসা জোগাতে কাজে লাগাতে চাইছেন। স্বভাবতই প্রধানমন্ত্রী এবং বাকিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি জঙ্গি দমন অভিযানও পুরোদমে চলছে। পুলিশ-আধা সেনা-সেনার যৌথ বাহিনী লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যেহেতু নির্বাচন কমিশন সেখানে বিধানসভা ভোটের আয়োজন করতে চলেছে, তাই দ্রুত আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার নয়া দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ সময় বৈঠক করেন। যে কোনও মূল্যে শান্তি ফেরাতে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর উপর বিরোধীরাও চাপ তৈরি করেছে। প্রধানমন্ত্রী কেন সাতদিন চুপ করে ছিলেন সেই প্রশ্ন তুলে কংগ্রেস বলেছে, এর আগে মণিপুর নিয়েও প্রধানমন্ত্রী নীরব থেকেছেন। আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বলার পরও মণিপুরে যাওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী রা কাড়ছেন না।
মনে করা হচ্ছে, বিরোধীদের জবাব দিতে এবং কাশ্মীরের চলতি পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রধানমন্ত্রী যোগ দিবস পালনের জন্য উপত্যকাকে বেছে নিয়েছেন, জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলিকে কড়া বার্তা দিতে। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষকে প্রধানমন্ত্রী ভরসা জোগাতে চান, কাশ্মীরকে জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চল হতে দেবে না সরকার।