
শেষ আপডেট: 8 May 2025 23:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air defence system) থেকে ছোড়া সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলের আঘাতে পাকিস্তান বায়ুসেনার একটি এফ-১৬ (Pakistan F16 Down) যুদ্ধবিমান মুখ থুবড়ে পড়ল। প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গেছে, বিমানটি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সরগোধা বিমানঘাঁটি থেকে উড়েছিল এবং সেখানেই ভারতীয় (India) প্রতিরক্ষা বাহিনী সেটিকে টার্গেট করে ধ্বংস করে।
সূত্রের দাবি, এই পদক্ষেপ পাকিস্তানের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জবাব হিসেবেই দেখা উচিত। গতকাল রাতে ও বৃহস্পতিবার ভোর থেকে পাকিস্তান একাধিক ড্রোন ও মিসাইল ব্যবহার করে জম্মু, পাঠানকোট ও উদমপুরের মতো সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। ভারতীয় বাহিনী এই হামলা ব্যর্থ করে দেয়। জম্মুর আরএস পুরা, সাম্বা ও হিরানগরে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে।
পরে রাতের দিকে জম্মু বিমানবন্দর সহ একাধিক এলাকায় ড্রোন ও মিসাইল হামলার চেষ্টা করে পাকিস্তান। যদিও তা আটকে দেয় ভারতীয় এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা। তবে জম্মু, শ্রীনগর, রাজস্থান ও গুজরাতের পাক সীমান্তবর্তী এলাকায় সাইরেন বাজিয়ে ব্ল্যাক আউট করে দেওয়া হয়েছে।
পাঠানকোট, যেটি কৌশলগতভাবে ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেখানেও পাকিস্তান থেকে গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর চণ্ডীগড়, মোহালি সহ একাধিক এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ব্ল্যাকআউট কার্যকর করা হয়েছে।
ভারতীয় বাহিনী জানায়, পাকিস্তানের আক্রমণ প্রতিহত করতে অত্যাধুনিক এস-৪০০ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে। একাধিক পাকিস্তানি ড্রোন এবং মিসাইলকে আকাশেই ধ্বংস করা হয়। প্রতিরক্ষা দপ্তরের ‘ইন্টিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফ’ (IDS) জানিয়েছে, পাকিস্তান জম্মু, পাঠানকোট ও উদমপুরের সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করেছিল। তবে ভারতীয় বাহিনী তা প্রতিহত করে দেয় এবং পাল্টা হামলায় লাহোরের একটি এয়ার ডিফেন্স সাইট নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
এছাড়াও ভারত ‘হার্পি ড্রোন’ ব্যবহার করে পাকিস্তানের রাডার ব্যবস্থা ভেঙে ফেলার দাবি করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলার ধ্বংসাবশেষ থেকে পাকিস্তানের আগ্রাসনের প্রমাণ মিলেছে।
চুম্বকে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে অন্যতম বড় সামরিক সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সীমান্ত জুড়ে এখন কড়া নজরদারি চলছে, এবং দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।