পাকিস্তানের (Pakistan) সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ (Pahalgam) সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 23 May 2025 18:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানের (Pakistan) সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ (Pahalgam) সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে কেন্দ্র। সেই প্রতিনিধি দল ফিরে এলে সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডাকার আর্জি জানালেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মোদী সরকার যে অবস্থান নিয়েছে, শুরু থেকেই তৃণমূল যে সেই অবস্থানের সঙ্গে রয়েছে তা জানিয়ে সোশ্যাল মাধ্যমে এই টুইট করেছেন তৃণমূল নেত্রী। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই টুইটকে রি-টুইট করেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র পহেলগামে (Pahalgam Terrorist Attack) নিহত হয়েছেন ২৬ জন পর্যটক। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও অনেকে। তারই প্রত্যাঘাত হিসেবে গত ৭ মে মধ্যরাতে ভারতীয় সেনার অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) অভিযানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

কেন্দ্রের অপারেশন সিঁদুরকে স্বাগত জানিয়ে টুইটে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ভারতের প্রতিনিধিরা যাচ্ছে, এটা দেখে আমি আমি আপ্লুত। আমি আগেও বলেছি, আবারও বলছি, জাতীয় স্বার্থে এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের দল তৃণমূল কংগ্রেস সব সময়ে কেন্দ্রের পাশে রয়েছে।’
এরপরই বিভিন্ন দেশে যাওয়া প্রতিনিধিদলের নিরাপদে ফেরার প্রার্থনা করে টুইটে মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি, 'প্রতিনিধিদল ফিরে আসার পরে সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।'
প্রসঙ্গত, দুদিন আগেই তৃণমূলের প্রতিনিধিদল পহলগাম কাণ্ডের পর কাশ্মীর সফরে যাওয়ার পথে আকাশে ঘূর্ণিঝড়ের মুখে পড়ে। কিন্তু পাইলটের তৎপরতায় কোনওরকমে সেই বিমান অবতরণ করে শ্রীনগর বিমানবন্দরে। ওই প্রতিনিধিদলে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন, মমতাবালা ঠাকুর, সাগরিকা ঘোষ সহ পাঁচজন। সেদিন তাঁরাও প্রায় মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন। বিমানটির বিশাল ক্ষতি হলেও প্রায় ২০০ যাত্রীর প্রাণরক্ষা করেন পাইলট।
এরপর রাশিয়ার রাজধানী মস্কো বিমানবন্দরে অবতরণের সময়ও ফ্যাসাদে পড়ে ভারতীয় সংসদীয় প্রতিনিধিদল। তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল মস্কোর আকাশে আটকে পড়ে। ইউক্রেনের ছোড়া ড্রোনে আপৎকালীন পরিস্থিতি মস্কো বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তার জেরে কয়েক ঘণ্টা আকাশে চরকিপাক খেতে থাকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের বিমান।