
শেষ আপডেট: 5 December 2023 10:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুল আছে, অথচ শিক্ষক নেই। পড়ুয়া আছে, তবে স্কুল ভবনে তালা ঝুলছে। দেশজুড়ে এমন নিদর্শন ভূরি ভূরি। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তথ্য বলছে, দেশজুড়ে সরকারি স্কুলগুলিতে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারিতে লাখ লাখ শূন্যপদ রয়েছে। প্রাথমিকে ৭.২ লাখ ও সেকেন্ডারি ১.২ লাখ শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে।
বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ডের বশিরভাগ সরকারি স্কুলগুলিতেই পড়ুয়া আছে, কিন্তু শিক্ষক নেই। করোনা মহামারীর কারণে দেড় বছর ধরে স্কুলগুলি বন্ধ ছিল। সেভাবে নিয়োগও হয়নি। সেই ঘাটতিই এখন বিশেষভাবে নজরে পড়ছে। গ্রামীণ এলাকায় এমন অনেক স্কুল রয়েছে যেখানে শিক্ষকের অভাবে পঠনপাঠন শিকেয় উঠেছে।
ইউনেস্কোর এক প্রতিবেদনও বলছে, করোনার সময় সারাদেশে প্রায় ১৫ লাখ স্কুল বন্ধ হয়েছে৷ আর এর ফলে দেশজুড়ে ২৮ কোটি শিক্ষার্থী ক্ষতির মুখে পড়েছ৷ নতুন নিয়োগ বন্ধ থাকায় স্কুল খোলার পরে দেখা যায় অনেক শিক্ষক হয় চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন না হলে তাঁরা অন্য পেশায় চলে গেছেন। ফলে শিক্ষকের পদও খালি হয়ে যায়। সমীক্ষা বলছে, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে প্রাথমিকে লাখ লাখ শিক্ষকের পদ খালি।
কোথাও পড়ুয়ার সংখ্যা সাড়ে সাতশো, শিক্ষক মোটে দুজন। বেশিরভাগ সরকারি স্কুলেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষ ও পড়ুয়ার অনুপাত সঠিক নেই। সমীক্ষা অনুযায়ী, ৬৯ শতাংশ গ্রাম অঞ্চলের স্কুলগুলিতে শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হবে প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা৷