
সরব রাজ্যের বিরোধী দলগুলি
শেষ আপডেট: 27 July 2024 17:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নীতি আয়োগের বৈঠক করা নিয়ে সরব রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি তথা লোকসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী এদিন বলেন, জাতীয় রাজনীতিতে রাহুল গান্ধীর উত্থান সহ্য করতে পারছেন না মমতা। সেটাই ওনার বিরাট সমস্যা। সে কারণে উনি জাতীয় স্তরে ভেসে থাকতে চাইছেন।
অধীর বলেন, উনি আজ এমন একটা নাটক করলেন, যার খসড়া উনি দিল্লি যাওয়ার আগেই তৈরি ছিল। উনি তো আগেই ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছিলেন যে, বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করতে পারেন। ওনার প্রাথমিক বা মূল সমস্যা হচ্ছে জাতীয় রাজনীতিতে রাহুল গান্ধীর উত্থান। রাহুলের উত্থানে উনি হিংসায় জ্বলেপুড়ে মরছেন।
বহরমপুরের প্রাক্তন এমপি অধীর আরও বলেন, আসলে উনি দেখাতে চাইছেন জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে উনি এখনও প্রাসঙ্গিক আছেন। যদি কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়, এবং তাঁকে বলতে না দেওয়া হয়, তাহলে সেটা জঘণ্য অপরাধ। উনি কেন সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন না অথবা ধরনায় বসছেন না, প্রশ্ন তোলেন অধীর।
রাজ্য কংগ্রেসের সুরেই সিপিএমের মতে, তৃণমূল নেত্রী চেয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দিতে। দলের নেতা সুজন চক্রবর্তী এদিন মমতার আচরণ প্রসঙ্গে বলেন, উনি চেয়েছিলেন নীতি আয়োগের বৈঠকে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে একটি বার্তা দিতে। বিজেপি নেতৃত্বকে উনি বোঝাতে চেয়েছিলেন, অন্য বিরোধী দলের মতো তিনি নন। যাতে বিজেপি বুঝতে পারে উনি দূরে দূরে থাকলেও পাশে পাশে আছেন।
বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য সমালোচনার সুরে বলেন, নীতি আয়োগের বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেরিয়ে আসা আগে থাকতেই ঠিক ছিল এবং ক্যামেরার জন্য। ওনার সংঘাতমূলক রাজনীতির শিকার হচ্ছেন নিরীহ রাজ্যবাসী।