Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

India Operation Sindoor: ৭১ যুদ্ধের পর এই প্রথম একযোগে তিন সেনাবাহিনীর হামলা পাকিস্তানে

India Attack on Pakistan Latest News in Bengali: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার প্রতিশোধে ভারতীয় সেনা, নৌ ও বায়ুসেনার যৌথ অভিযানে পাকিস্তান ও পিওকেতে ৯টি সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিতে নিশানা বসানো হয়।

India Operation Sindoor: ৭১ যুদ্ধের পর এই প্রথম একযোগে তিন সেনাবাহিনীর হামলা পাকিস্তানে

দেশের তিন বাহিনী। ফাইল চিত্র।

শেষ আপডেট: 7 May 2025 09:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ভারতের সামরিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় লেখা হল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর এই প্রথমবার ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনা একযোগে পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) ভিতরে সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটির বিরুদ্ধে অভিযান চালাল। এই সম্মিলিত সামরিক অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপারেশন শুরু হয় রাত ১টা ৪৪ মিনিটে। একযোগে তিন বাহিনী মিলে ৯টি নির্দিষ্ট সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিতে আঘাত হানে, যেগুলো থেকে ভারতে হামলার পরিকল্পনা ও কার্যকর করা হত বলে অভিযোগ বহু দিনের। সেনাবাহিনীর তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'এই অপারেশনে এমন সব জায়গায় আঘাত হানা হয়েছে যেখান থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে সন্ত্রাস চালানো হয়ে থাকে। আমরা অত্যন্ত নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে নিশানা করেছি।'

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই অভিযানে ব্যবহার করা হয় ‘কামিকাজে ড্রোন’ বা ‘লোইটারিং আমিউনিশন’, যেগুলো লক্ষ্যবস্তুতে ধাক্কা মেরে বিস্ফোরণ ঘটায়। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক’ অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

সেনাবাহিনীর দাবি, এই ৯টি সাইটের মধ্যে ছিল পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মোহাম্মদের সদর দফতর এবং মুরিদকেতে লস্কর-ই-তইবার ঘাঁটি। তবে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করেছে যে, 'এই অভিযানে কোনও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানা হয়নি। ভারতের পক্ষ থেকে লক্ষ্য বেছে নিতে এবং অপারেশনের কৌশলে যথেষ্ট সংযম দেখানো হয়েছে।'

এই অভিযানের মূল কারণ ছিল ২ সপ্তাহ আগে জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা, যেখানে ২৬ জন নিরীহ মানুষ, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন পর্যটক, নিহত হন। এই নির্মম হামলার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—ভারত উপযুক্ত জবাব দেবে।

সূত্র বলছে, অপারেশনের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী পুরো অভিযান রাতভর নিজে পর্যবেক্ষণ করেছেন। অপারেশন শেষ হতেই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ফোনে কথা বলেন মার্কিন NSA এবং মার্কো রুবিও-র সঙ্গে, যিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সচিব। তিনি আমেরিকাকে ভারতের পদক্ষেপের বিস্তারিত তথ্য দেন।

এই অভিযানে ভারত একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, সন্ত্রাসবাদকে কোনওরকম প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। প্রয়োজন হলে প্রতিরক্ষা বাহিনী সম্মিলিতভাবে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই পারে।


```