
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 6 May 2025 17:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশজুড়ে যুদ্ধ-যুদ্ধ ভাব তৈরি হয়ে গেছে। পহেলগামে জঙ্গি হামলার ঘটনার পরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে 'যুদ্ধং দেহি' মনোভাব নিয়েছে ভারত। বুধবার দেশজুড়ে মক ড্রিলও করা হবে। এরই মধ্যে ওড়িশায় পুরীর মন্দিরে (Puri Jagannath Temple) গেল এনএসজি কম্যান্ডোর (NSG) প্রতিনিধি দল। তাহলে কি সেখানে হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
ভারত আক্রমণ করলে তারা যে চুপ করে বসে থাকবে না সেটা পাকিস্তানের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এতএব, দেশের একাধিক জায়গায় হামলা হতে পারে, তার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সেই মতো নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে কেন্দ্রীয় সরকার। এহেন পরিস্থিতিতেই পুরীর মন্দিরে এনএসজি কম্যান্ডোর প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করেছে। পুরীর এসপি বিনীত আগরওয়াল জানিয়েছেন, জগন্নাথ মন্দিরের নিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখেছেন এনএসজি কম্যান্ডোরা। তবে এটা রুটিন প্রসেস বলে দাবি করেছেন তিনি।
পহেলগাম হামলার আগেও বিগত কয়েক মাস ধরে লাগাতার জম্মু-কাশ্মীরে হামলা চালিয়েছে পাক সেনা। বারংবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে তারা। তবে গত ২২ এপ্রিলের ঘটনার পর তো সীমান্তে আরও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভারতীয় সেনা আগের থেকে বেশি সজাগ হয়ে প্রতিরোধ করছে। কাশ্মীরেও একাধিক জঙ্গির বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কাশ্মীর ছাড়াও অন্যান্য সীমান্তে তল্লাশি অভিযান করছে স্থানীয় পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। তাতে সাফল্যও মিলছে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত জায়গাগুলিতে নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হচ্ছে। কারণ এইসব জায়গায় পর্যটকের সংখ্যা বেশি থাকে। সেই প্রেক্ষিতেই পুরীর মন্দিরে এনএসজি কম্যান্ডোর প্রতিনিধি দল যাওয়া ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে ইতিমধ্যে এই ইস্যুতে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, মক ড্রিলে মূলত আপৎকালীন পরিস্থিতি তৈরি হলে কী করতে হবে, তাই শেখানো হবে সাধারণ মানুষকে। সূত্রের খবর, আমজনতাকে বোঝানো হবে সাইরেনের শব্দ শুনলে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দিতে হবে। এছাড়া তাঁদের সকলকে বাড়িতে ফার্স্ট এইড বক্স, টর্চ, মোমবাতি সহ অতিরিক্ত খাবারের বন্দোবস্ত করে রাখতে বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, হাতে নগদ রাখতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।