
শেষ আপডেট: 1 March 2024 12:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বাস্থ্য নিয়ে সকলের চিন্তা থাকে। আর দিন দিন ওষুধের দাম বৃদ্ধির খবরে আরও দুশ্চিন্তা বাড়ছে আমজনতার। পরিস্থিতি এমন যে মাসিক খরচের অর্ধেক বাজেটও যেন মাঝে মাঝে কম পড়ে কারোর। এই অবস্থায় স্বস্তির খবর মিলল। কেন্দ্রীয় সরকার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিয়েছে।
ডায়াবিটিস, ব্লাডপ্রেশারের ওষুধ বেশিরভাগ পরিবারেরই দরকার পড়ে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে তাঁরা কিছুটা চিন্তা মুক্ত হবেন। কারণ এই ওষুধগুলি সহ ৬৯টি ওষুধের দামের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইজিং অথরিটি জানিয়েছে, এই ধরনের ওষুধগুলির দামের ঊর্ধ্বসীমা ৮ টাকা ৯২ পয়সা থেকে ১৩ টাকা ২৫ পয়সা পর্যন্ত রাখা হয়েছে। আগামী দিনে আরও বহু ওষুধের দামের ক্ষেত্রেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
গত মাসেই ২৮ ধরনের ডায়াবেটিসের ওষুধের দাম কমানো হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে। এছাড়া কোলেস্টেরল ও ব্যথার ওষুধের মূল্যও অনেকটা কমেছিল। সব মিলিয়ে ৩৯ ধরনের ওষুধের দাম কমিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এক মাসের মধ্যেই আবার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম কমানো হল। নতুন বছরে এ নিয়ে তিন দফায় ওষুধের দাম কমেছে।
গত নভেম্বর মাসে আবার বেশ কিছু জীবনদায়ী ওষুধের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। তার ফলে চিকিৎসার খরচ একলাফে ১০০ গুণ কমে যাওয়ায় বাড়তি স্বস্তি পেয়েছিল সাধারণ মানুষ। এক বছরে ওষুধ কোম্পানিগুলি চারটি বিরল রোগের ওষুধ তৈরি করেছিল। জেনেটিক ও শিশু রোগের এইসব ওষুধের দামই কমানো হয়েছে।
এদেশে সাড়ে আট থেকে দশ কোটি মানুষ বিরল রোগে আক্রান্ত। যাদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই জিনগত রোগে ভুগছেন। ফলে এই ধরনের রোগের উপসর্গগুলি সহজে অল্প বয়সেই সহজে চিহ্নিত করা যায়। একই সঙ্গে রোগীর সুস্থতার জন্য দ্রুত চিকিৎসারও প্রয়োজন রয়েছে। সেই চিকিৎসারই খরচ অনেকটা কমেছে।