
শেষ আপডেট: 27 November 2023 20:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরকাশীর টানেলে এখনও আটকে ৪১ জন শ্রমিক। তাঁদের কীভাবে সুড়ঙ্গের মধ্যে থেকে বাইরে বের করে আনা যায়, তা নিয়েই চলছে নানা পরিকল্পনা। মার্কিন যন্ত্র অগার মেশিন ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই উদ্ধারকাজে বড় ধাক্কা এসেছে। এখন পাহাড়ের ওপর থেকে উলম্বভাবে খনন চালিয়ে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে উদ্ধারকারী দল। সময়সাপেক্ষ হলেও এটাই এখন উদ্ধারের অন্যতম রাস্তা! এহেন পরিস্থিতিতে অনেকেই দাবি করেন, উত্তরকাশীর সিল্কয়ারা টানেল খোঁড়ার কাজের দায়িত্বে ছিল আদানি গোষ্ঠী! এই খবরে যখন গোটা দেশ আন্দোলিত, তখন এ নিয়ে মুখ খুলল গৌতম আদানির সংস্থা!
১৬ দিন পার হয়ে গেছে, এখনও সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের বের করে আনা সম্ভব হয়নি। নিয়মিত তাঁদের কাছে খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিস পাঠিয়ে দেওয়া হলেও উৎকণ্ঠার শেষ নেই। আন্তর্জাতিক সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান আর্নল্ড ডিক্সের তত্ত্বাবধানে চলছে সুড়ঙ্গ কাটার কাজ। এই কাজে প্রথমে ব্যবহার করা হয়েছিল অগার মেশিন। সেই মেশিন ধ্বংসস্তূপ কাটতে কাটতে শ্রমিকদের কাছে যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করার কথা ছিল। কিন্তু শ্রমিকদের থেকে ১০ মিটার দূরে মেশিনটি বিকল হয়ে যায়।
এখন দু'ভাবে উদ্ধারকাজ চালানোর কথা ভাবা হয়েছে। এক, ভার্টিক্যাল ড্রিলিং অর্থাৎ যন্ত্রের মাধ্যমে পাহাড়ের ওপর থেকে খোঁড়ার কাজ চালানো ও দুই, ম্যানুয়াল ড্রিলিং অর্থাৎ উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা কোদাল-শাবল-গাঁইতি দিয়ে ধ্বংসস্তূপ কেটে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করবেন। কিন্তু এই টানেল বিপর্যয়ে নাম জড়িয়ে যায় আদানি গোষ্ঠীর।
সোমবার সেই নিয়ে মুখ খুলল গৌতম আদানির কোম্পানি। তারা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, আমাদের নজরে এসেছে, 'কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরাখণ্ডের টানেল বিপর্যয়ের সঙ্গে আমাদের নাম জড়াচ্ছে। যাঁরা এটা করছেন তাঁদের তীব্র নিন্দা করি। আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে এই টানেল তৈরির কাজের সঙ্গে আদানি গোষ্ঠী বা তার কোনও অধীনস্থ সংস্থা বা তার কোনও সহযোগী সংস্থার কোনও পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ সংযোগ নেই।' শুধু তাই নয়, আরও বলা হয়েছে উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজে যে সংস্থা আছে, তাতে তাদের কোনও শেয়ারও নেই।
জানা গেছে, চারধামে যাতায়াতের জন্য উপযোগী রাস্তা তৈরি করার ব্যাপারে উদ্যোগ নেয় সরকার। আর সেই প্রকল্পের অধীনেই ছিল সিল্কয়ারা টানেলের কাজ। সেই কাজ করতে গিয়েই গত ১১ নভেম্বর বিপত্তি ঘটে। ধসে গিয়ে টানেলের মধ্যেই আটকে যান শ্রমিকরা। জানা গেছে, হায়দরাবাদের সংস্থা নবযুগ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিডেটের ওপর ছিল সিল্কয়ারা টানেলের খোঁড়ার কাজ