
উত্তর ভারতে জুড়ে লাল সতর্কতা জারি (প্রতীকী ছবি)
শেষ আপডেট: 22 May 2024 09:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে বর্ষা। এবার সময়ের একটু আগেই এসেছে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। কালো মেঘের অপেক্ষায় দিন কাটছে দেশবাসীর। ইতিমধ্যে প্রাক বর্ষার বৃষ্টিতে দেশের কয়েকটি রাজ্য স্বস্তিও পেয়েছে। কিন্তু এখনও তাপে পুড়ছে রাজধানী দিল্লি। একদিকে ভোটের মরসুমে চড়েছে রাজনৈতিক তরজার পারদ, সেই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে তাপমাত্রাও।
দিল্লির কয়েকটি জায়গায় তাপমাত্রা এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে লাল সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। কয়েকটি এলাকায় আবারও পারদ ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী পাঁচ দিন দিল্লি সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভয়াবহ তাপপ্রবাহের সম্মুখীন হবে।
ইতিমধ্যে টানা তাপপ্রবাহ চলছে মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, পঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশের বেশ কিছু এলাকায়। দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি উষ্ণ দিল্লিই। আপাতত চলতি সপ্তাহে এই অবস্থা থেকে মুক্তি নেই, এমনটাই জানিয়েছে মৌসম ভবন।
মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা যে জায়গাগুলিতে ছিল সেগুলি হল-
সিরসা (হরিয়ানা)- ৪৭.৮ ডিগ্রি,
নাজফগড় (দিল্লি)- ৪৭.৪ ডিগ্রি
পিলানি (রাজস্থান)- ৪৭.২ ডিগ্রি
ভাটিন্ডা বিমানবন্দর (পাঞ্জাব)- ৪৬.৬ ডিগ্রি
আগ্রা (উত্তরপ্রদেশ)- ৪৬.৬ ডিগ্রি
রতলাম (মধ্যপ্রদেশ)- ৪৫.৬ ডিগ্রি
সুরেন্দ্রনাথ (গুজরাত)- ৪৫.৪ ডিগ্রি
আকোলা (মহারাষ্ট্র)- ৪৪.০ ডিগ্রি
দুর্গ (ছত্তিশগড়)- ৪৩.৬ ডিগ্রি
উনা (হিমাচল প্রদেশ)- ৪২.৪ ডিগ্রি
প্রবল তাপপ্রবাহে বাড়ছে স্বাস্থ্যের সমস্যা। বারবার হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচার জন্য সতর্ক করছেন ডাক্তাররা। অন্যদিকে, হু হু করে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদাও। বাতানুকূল যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুতেও টান পড়েছে দিল্লি সহ উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে। মে মাসে দেশের রাজধানীর বিদ্যুতের চাহিদা ছিল সাম্প্রতিক অতীতে সর্বোচ্চ। যে সব স্কুল এতদিন খোলা ছিল, সেগুলি অবিলম্বে বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। কচিকাঁচাদের রেহাই দিতে সব স্কুলকেই ৩০ জুন পর্যন্ত গরমের ছুটি বাড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির শিক্ষা দফতর।