.webp)
বিয়ের পোশাকেই বুথে।
শেষ আপডেট: 19 April 2024 15:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটকেন্দ্রে বরযাত্রী। শুধু বরযাত্রী কেন, সঙ্গে বর-কনেও। কী ব্যাপার! বরের মাথায় বিয়ের পাগড়ি, পরনে শেরওয়ানি, গলায় মুক্তোমালা, কনের মাথায় বিয়ের জোড়া, হাতে মেহেন্দির সুবাস তখনও অমলিন, মাথায় একমাথা সিঁদুর। বিয়ের রাত কাটতে না কাটতেই নববধূকে ঘরে তোলার আগে সাতসকালে নবদম্পতি হাজির ভোট দিতে। জম্মু-কাশ্মীরের উধমপুরে প্রথম দফার ভোটে এমনই দৃশ্যের মুখোমুখি হল শুক্রবার সকালে।
সূর্য যতই মাথার উপর চড়ছে, ততই ভোটদানের উৎসাহের পারদও উঠছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নেতানেত্রী, দক্ষিণী অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ভোটদানের ছবি সামনে আসছে। সক্কাল সক্কাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী প্রথম দফার ভোটারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে অধিক সংখ্যায় মতপ্রকাশের আর্জি জানিয়েছেন। রাহুল গান্ধী শুক্রবার সকালে এক এক্সবার্তায় দেশবাসীর কাছে ঘৃণাকে দূর করে মহব্বত কা দুকান খোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
কিন্তু, সেসবের তোয়াক্কা না করে প্রথম ভোটারদের লাইনে দেখা গেল বরবেশী কপিল গুপ্তাকে। সবে বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ে হয়েছে। তাই বিয়ের পোশাক তখনও খোলা হয়নি। তার আগেই নিজেদের মতদান সেরে ফেললেন নবদম্পতি। কপিল বললেন, ভোটদান আমাদের অধিকার। ফলে একেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
শুধু কপিল নন, শাহিল এবং রাধিকাও উধমপুরের একটি স্কুলে চলে এলেন বিয়ের পোশাকেই। রাধিকা বললেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) আমাদের বিয়ে হয়েছে। আমিই ওকে বললাম, আমাদের ভোট দেওয়া উচিত। আমার ভোট এখানে নয়, কিন্তু আমি ওর সঙ্গে এসেছি। তিনি আরও বলেন, পরে আমি পাশেই আমার বাবা-মায়ের গ্রামে যাব। সেখানে গিয়ে নিজের ভোট দিয়ে আসব।
জম্মুর উধমপুরের মতো ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরাখণ্ডও। পৌরি গাড়ওয়ালের একটি ভোটের লাইনে সকালে দেখা গেল আরও এক নবদম্পতিকে। সদ্য বিয়ের পরেই ভোটকেন্দ্রের মতো উত্তরাখণ্ডের এক পরিবারের তিন প্রজন্ম একসঙ্গে ভোট দিলেন এদিন। দিদিমা, মা ও দুই নাতনি সকালেই বেরিয়ে পড়েন দেরাদুনের নিজেদের বুথের উদ্দেশে। দিদিমা প্রভা শর্মা, তাঁর মেয়ে প্রীতি কৌশিক এবং শমিতা এবং সাক্ষী নামে দুই নাতনিকে নিয়ে ভোট দিতে যান।