ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 15 January 2025 10:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাতেগোনা আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে কাউন্টডাউন। বিধানসভা ভোটের আগে ফের বড়সড় বিপাকে পড়লেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। দু’জনের বিরুদ্ধেই আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
জানা গেছে, কয়েকদিন আগেই বিষয়টি একপ্রকার চূড়ান্ত হয়ে গেছিল দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনা এ বিষয়ে অনুমোদন দেওয়ার পর। এবার ইডিকে সবরকম তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল অমিত শাহের দফতর।
বিধানসভা ভোটের মুখে অমিত শাহের এমন সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে কটাক্ষ করে ইতিমধ্যে সরব হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির নেত্রী আতিশী মারলেনা। তাঁর পরিষ্কার অভিযোগ, “দিল্লির ভোটে হার নিশ্চিত জেনেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। তবে এসব করে লাভের লাভ কিছুই হবে না। মানুষ আম আদমি পার্টিকেই সমর্থন করবেন।”
দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি মামলায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনা। নির্দেশ পেয়েই মণীশ সিসোদিয়াকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে ইডিও তাঁকে শোন অ্যারেস্ট করে।
এরপর গত বছরের ২১ মার্চ আপ সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকেও গ্রেফতার করে ইডি। পরে জুন মাসে সিবিআইও তাঁকে শোন অ্যারেস্ট করে। তবে দুটি ক্ষেত্রেই সুপ্রিম কোর্ট জামিন মঞ্জুর করতেই জেল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ৬ নভেম্বর কেজরিওয়ালের দায়ের করা মামলায় শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়েছিল, কোনও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের স্মমতি ছাড়া আর্থিক প্রতারণা আইনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব নয়। এর আগে ইডির দায়ের করা কোনও মামলায় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের স্মমতি দরকার পড়ত না। শুধুমাত্র সিবিআই বা রাজ্য পুলিশকেই সেই অনুমতি নিতে হত।
শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরই কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে উপরাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। সেই আবেদনে আগেই সাড়া মিলেছিল। এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়ে দিল কেজরিওয়াল ও সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে কোনও সমস্যা নেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের।