
নরেন্দ্র মোদী, মল্লিকারজুন খাড়্গে এবং সনিয়া গান্ধী
শেষ আপডেট: 28 August 2024 09:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৪ সালের পর এই প্রথম রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করল এনডিএ। রাজ্যসভার সর্বশেষ ভোটে বিজেপি ৯, তার জোট শরিকরা ২টি উপনির্বাচনে জিতে রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সংখ্যা পেল। একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে রাজ্যসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা দাঁড়াল ৯৬। তবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। তাদের মোট সদস্য সংখ্যা হল ১১৯।
মঙ্গলবার রাজ্যসভার শূন্যপদের নির্বাচনে বিজেপি একাই ৯টিতে জিতেছে। দুই জোট শরিক নীতীশ কুমারের জেডিইউ একটিতে এবং অজিত পাওয়ারের এনসিপি একটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হাসিল করে। কংগ্রেস তেলঙ্গানার একটি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। শাসক জোটের তহবিলে অবশ্য ৬ মনোনীত সদস্যের সমর্থন আছে।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যাঁরা জয় পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন। কংগ্রেস একটিতে জিত হাসিল করায় সংসদের উচ্চকক্ষে বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের সদস্য সংখ্যা দাঁড়াল ৮৫। উল্লেখ্য, রাজ্যসভায় মোট আসন ২৪৫। বর্তমানে সেখানে আরও ৮টি চেয়ার খালি আছে। চারটি জম্মু-কাশ্মীরের ও চারটি মনোনীত সদস্যের জন্য।
বিজেপির যাঁরা জিতেছেন তাঁরা হলেন, রঞ্জন দাস, রামেশ্বর তেলি। দুজনেই অসম থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে রাজ্যসভায় পা রাখতে চলেছেন। এছাড়াও বিহারের মননকুমার মিশ্র, হরিয়ানার কিরণ চৌধুরি, মহারাষ্ট্রের ধৈর্যশীল পাতিল, ওড়িশার মমতা মহান্ত, রাজস্থানের রবনিত সিং বিট্টু এবং ত্রিপুরার রাজীব ভট্টাচার্য।
তেলঙ্গানা থেকে কংগ্রেস প্রার্থী অভিষেক মনু সিংভি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে রাজ্যসভা সদস্য হয়েছেন। অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর এনসিপির নীতিন পাতিল মহারাষ্ট্র থেকে এবং আরএলএমের উপেন্দ্র কুশওয়া বিহার থেকে উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার জোটের বাইরে থাকা এবং ইন্ডিয়া জোটের বাইরের দলগুলির সাহায্য ছাড়াই যে কোনও বিল পাশে শক্তি অর্জন করে ফেলল। গতবার মোদী সরকারকে রাজ্যসভায় হয় ওয়াইএসআরসিপি (১১), বিজেডি (৮) ও এডিএমকের (৪) সদস্যের মুখাপেক্ষি থাকতে হতো। কংগ্রেসের অভিষেক সিংভি জেতায় দেশের প্রাচীনতম দল রাজ্যসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা ধরে রাখতেও সমর্থ হয়েছে।