Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?

গুজরাত উপকূলে সবচেয়ে বড় মাদক চক্রের পর্দা ফাঁস, ২ হাজার কোটির হাসিস-চরস উদ্ধার নৌসেনার

গুজরাত উপকূল দিয়ে ভারতে মাদক ঢোকানোর চেষ্টা নতুন নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা আসে পাকিস্তান থেকে।

গুজরাত উপকূলে সবচেয়ে বড় মাদক চক্রের পর্দা ফাঁস, ২ হাজার কোটির হাসিস-চরস উদ্ধার নৌসেনার

শেষ আপডেট: 28 February 2024 12:16

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নয় নয় করেও ৩৩০০ কিলোগ্রাম মাদক উদ্ধার। ভাবাই যায় না। গুজরাত উপকূলে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় মাদক চক্রের পর্দা ফাঁস হল। নৌসেনার সঙ্গে নারকোটিক ব্যুরোর দুঁদে অফিসারদের যৌথ অভিযানে, গুজরাতের পোরবন্দরের কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার কোটির গাঁজা,হাসিস, চরস-সহ দামি সমস্ত মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

গুজরাত উপকূল দিয়ে ভারতে মাদক ঢোকানোর চেষ্টা নতুন নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা আসে পাকিস্তান থেকে। গত বছর মার্চে ইরান থেকে আসা একটি নৌকোকে আটক করেছিল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। তাতে মোট পাঁচ জন ছিল। তাদের কাছ থেকে ৪২৫ কোটির মাদক উদ্ধার হয়েছিল। এবারও একই ভাবে উপকূলবর্তী এলাকায় নজর রাখছিল উপকূলরক্ষী বাহিনী। পাশাপাশি ভারতীয় নৌসেনার সঙ্গে নারকোটিক ব্যুরোকেও নজর রাখতে বলা হয়েছিল। গোয়েন্দা সূত্রে খবর এসেছিল, পোরবন্দরের কাছাকাছি হাজার হাজার কোটির মাদকের লেনদেন হতে পারে। আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের পাণ্ডারাও থাকতে পারে সেখানে। কাজেই আগে থেকেই সতর্ক ছিলেন নৌসেনা ও নারকোটিক ব্যুরোর অফিসাররা।

মঙ্গলবার পোরবন্দরের কাছে একটি ছোট নৌকাকে ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ হয়। নৌকাটিকে আটক করে নৌসেনা। নৌকার ভেতর তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে পড়ে গাঁজা, চরস, হাসিসের মতো মাদক। নারকোটিক ব্যুরোর অফিসাররা বলছেন, ৩০৮৯ কিলোগ্রাম চরস ছিল নৌকায়, ২৫ কিলোগ্রামের মতো হাসিস, গাঁজা ও ১৫৮ কিলোগ্রাম মেথামফেটামিন পাওয়া গেছে। এই মেথামফেটামিন ভয়ঙ্কর মাদক। ১৮৯৩ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়। লেভো মেথামফেটামিন ও ডেকস্ট্রো মেথামফেটামিনের সংমিশ্রণ স্থূলত কমাতে,, উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের চিকিৎসায় কাজে লাগানো হত। এই ওষুধে খুব বেশি মাত্রায় নেশা হয় বলে ডাক্তাররা কম ডোজে এই ওষুধ দিতেন। কিন্তু পরে দেখা যায় আমেরিকা, এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এই ওষুধই কড়া ডোজে মাদক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অতিরিক্ত এই মাদক সেবন করলে স্নায়ুর কার্যক্ষমতা একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। সেরোটোনিন স্নায়ু ধ্বংস করতে পারে এই মাদক। তাই পরবর্তীতে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

নারকোটিক ব্যুরোর তদন্তকারীরা বলছেন, অনুমান করা হচ্ছে নৌকাটি পাকিস্তান থেকেই আসছিল। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের বড় যোগ আছে বলেই মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এক কিলোগ্রাম চরসের দামই ৭ কোটি টাকা। নৌকাতে ২৫ কিলোগ্রাম শুধু চরসই ছিল। সেই সঙ্গেই হাসিস, মেথামফেটামিনের মতো দামি মাদকও ছিল। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এই বিপুল পরিমাণ মাদকের দাম হবে কম করেও ২ হাজার কোটি টাকা।

গুজরাত সন্ত্রাসদমন শাখার এক শীর্ষ আধিকারিক জানাচ্ছেন, আরব সাগরের কাছে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম বাউন্ডারি লাইনের কাছে অভিযান চালানো হয়েছিল। একটি সন্দেহজনক নৌকাকে আটক করেছিল নৌসেনা। ভারতীয় নৌবাহিনীর নজরদারি এয়ারক্রাফ্ট পি৮১ এলআরএমআর নৌকাটির উপর নজর রাখছিল। নৌসেনা অফিসারদের সন্দেহ হয়েছিল সেটিতে বেআইনি কিছু থাকতে পারে। তারপরেই নৌকাটিকে আটক করা হয়। তল্লাশি চালাতেই চোখ কপালে ওঠে। নৌসেনা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গুজরাত উপকূলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ও বহমূল্য মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।


```