
লরেন্স বিষ্ণোই ও সলমন খান।
শেষ আপডেট: 1 June 2024 12:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউড তারকা সলমন খানকে খুনের চক্রান্ত ফাঁস। সলমনের গাড়ি থামিয়ে পাকিস্তানি অস্ত্র পাচারকারীর কাছ থেকে কেনা একে ৪৭ বন্দুক দিয়ে গুলি করে তাঁকে হত্যার চক্রান্ত করেছিল জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের শাগরেদরা। মহারাষ্ট্রের পানভেলে সলমন খানের একটি খামারবাড়ি আছে। সেখানেই গাড়ি থামিয়ে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়ার ছক কষেছিল দুর্বৃত্তরা। এই চক্রান্তে জড়িত সন্দেহে পানভেল পুলিশ বিষ্ণৌই গ্যাংয়ের চার বন্দুকবাজকে শনিবার গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন শ্যুটারদের নাম হল, ধনঞ্জয় টাপসিং ওরফে অজয় কাশ্যপ, গৌরব ভাটিয়া ওরফে নহভি, ওয়াপসি খান ওরফে চিকনা এবং রিজওয়ান খান ওরফে জাভেদ খান।
যে খামারবাড়ির আশপাশে সলমনকে খুনের ছক কষা হয়েছিল সেখানে আগেই রেকি করেছিল চক্রান্তকারীরা। পুলিশ গ্রেফতার করা চারজনের মোবাইল ফোন ঘেঁটে দেখেছে তাদের সলমনকে জানে মারার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র এমনকী একে ৪৭ চালানোরও নির্দেশ ছিল।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, অজয় কাশ্যপ জেরায় বলেছে, পাকিস্তানের ডোগা নামে এক অস্ত্র পাচারকারীর সঙ্গে সে যোগাযোগ করেছিল। তার কাছ থেকে অত্যাধুনিক এম১৬, একে ৪৭ এবং একে ৯২ রাইফেল কেনার বরাত দেওয়া হয়েছিল।
পানভেল থানার এফআইআর অনুযায়ী একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কাশ্যপ তার পার্টনারের সঙ্গে কথা বলছে। যেখানে সে বলছে, সলমন খানকে উচিত শিক্ষা দিতে হবে। অস্ত্র এসে গেলে এবং কানাডায় ঘাঁটি গেড়ে থাকা গোল্ডি ব্রারের কাছ থেকে অর্থ এসে পৌঁছলেই অ্যাকশন হবে।
তদন্তে জানা গিয়েছে, সলমন খানকে খুন করতে পারলেই লরেন্স বিষ্ণোই ও গোল্ডি ব্রার শ্যুটারদের বিরাট অঙ্কের অর্থ দেবে বলে কথা ছিল। উল্লেখ্য গত ১৪ এপ্রিল দুই বাইক আরোহী সলমন খানের মুম্বইয়ের বান্দ্রার বাড়ির বাইরে গুলি চালিয়েছিল। তারপর খুনের এই দ্বিতীয় ছক পুলিশের সামনে এল।
ওই ঘটনায় গুজরাত থেকে ভিকি গুপ্তা এবং সাগর পাল ও পাঞ্জাব থেকে অনুজ থাপানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। এদের মধ্যে একজনের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয় গত ১ মে। খুনের চক্রান্তের অভিযোগে নভি মুম্বই পুলিশ লরেন্স বিষ্ণোই, আনমোল বিষ্ণোই, সম্পত নেহরা, গোল্ডি ব্রারসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে।