Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রাহুলকে পাল্টা তির মোদীর, ২৫ জুনকে সংবিধান হত্যা দিবস ঘোষণা কেন্দ্রের

২৫ জুনকে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’ ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার।

রাহুলকে পাল্টা তির মোদীর, ২৫ জুনকে সংবিধান হত্যা দিবস ঘোষণা কেন্দ্রের

২৫ জুনকে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’ ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার

শেষ আপডেট: 12 July 2024 18:16

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৫ জুনকে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’ ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। ১৯৭৫ সালের ওই দিন মাঝরাতে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী ইন্দিরা গান্ধী। কেড়ে নেওয়া হয়েছিল নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। জেলে পুরে ছিলেন বিরোধী নেতাদের। আগামী বছর স্বাধীন ভারতের কালো অধ্যায়গুলির অন্যতম জরুরি অবস্থা জারির পঞ্চাশ বছর। আগামী বছর থেকে তাই দিনটি সংবিধান হত্যা দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার। বলাই বাহুল্য, কংগ্রেস, বিশেষ করে সংবিধান রক্ষা নিয়ে প্রতি পদে সরব রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে মোদীর পাল্টা তির এই সিদ্ধান্ত। 

কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ অবশ্য অপ্রত্যাশিত ছিল না। সংসদের সদ্য সমাপ্ত অধিবেশনে স্বয়ং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণে ছিল জরুরি অবস্থার নিন্দা। নিয়ম মতো সেই ভাষণ ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের লিখে দেওয়া। তার আগের দিন লোকসভার স্পিকার হিসাবে দ্বিতীয়বার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে ওম বিড়লা জরুরি অবস্থার বিরোধিতা করে নিজেই নিন্দা প্রস্তাব পাশ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী মোদী এক্স হ্যান্ডেলে স্পিকারের ওই পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। 

শুক্রবার অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলেছে, প্রতি বছর ২৪ জুন ভারত সরকার সংবিধান হত্যা দিবস হিসাবে পালন করবে। এক্স হ্যান্ডেলে অমিত শাহ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জরুরি অবস্থার দিনগুলি নিপীড়নের শিকার মানুষকে ওই দিন স্মরণ করা হবে যারা গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য তৎকালীন সরকারি পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীও এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, সংবিধানকে পদদলিত করার ওই দিনটি মানুষ ২৪ জুন স্মরণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ওই দিনটিতে সেই নির্যাতিত মানুষকে স্মরণ করা হবে যারা কংগ্রেস সরকারের কালো অধ্যায়ের বিরোধিতা করেন। 
মোদী সরকারের সিদ্ধান্ত যে কংগ্রেস, বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে পাল্টা তির তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলের কোনও সংশয় নেই। রাহুল ধারাবাহিকভাবে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানকে অবমাননা, হত্যার অভিযোগ করে চলেছেন। লোকসভা ভোটে সংবিধানের কপি হাতে নিয়ে প্রচার করেছেন তিনি। লোকসভায় শপথও নিয়েছেন সংবিধানের কপি হাতে নিয়ে। তাঁর দেখাদেখি শুধু কংগ্রেস নয়, অন্য বিরোধী দলের সাংসদেরাও শপথ নিয়েছেন হাতে সংবিধানের কপি নিয়ে। 

রাহুল বারে বারেই বলেছেন লোকসভা ভোটের প্রচারে বিজেপির চারশোর বেশি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়ার পিছনে সংবিধান বদলের ভাবনা ছিল। মানুষ সেই চেষ্টা আটকে দিয়েছে তাদের ২৪০ আসনে জিতিয়ে। ফলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় পদ্ম শিবির।

গেরুয়া শিবিরও মনে করে, কংগ্রেসের ওই প্রচার মানুষের মনে দাগ কেটেছে। বিশেষ করে সংবিধান সংশোধন করে সংরক্ষণ তুলে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে বলে দলিত ও জনজাতিদের মধ্যে প্রচার যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। 

তবে শুধু রাহুল বা কংগ্রেসকে নিশানা করাই নয়, মোদী সরকারের লক্ষ্য ইন্ডিয়া জোটের মধ্যেও জরুরি অবস্থার ইস্যুতে ফাটল ধরানো। জোটের একাধিক শরিক নেতাকে ওই সময় জেলে যেতে হয়েছিল। 

কংগ্রেস তাই মোদীর বিরুদ্ধে পাল্টা তোপ দেগেছে। হাত শিবিরের বক্তব্য, জরুরি অবস্থার সময় সরকারি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল। অন্যদিকে, মোদী সরকার পুরো সংবিধানটাই বাতিল করার চেষ্টায় ছিল। চারশোর বেশি আসন জিতলে সে পথে পা বাড়াত তারা। সেই জন্যই চারশো আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল এবং বিজেপির একাধিক সাংসদ-নেতা-মন্ত্রী প্রচারে সগর্বে সংবিধান বদলের কথা বলেছেন।


```