
নীতি আয়োগ
শেষ আপডেট: 17 July 2024 10:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি এখন জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী সর্বদা তা মাথায় রাখতে হচ্ছে নরেন্দ্র মোদীকে। নীতি আয়োগের নতুন কমিটিতেও সেই ভাবনার প্রতিফলন পাওয়া গেল। এনডিএ-র গুরুত্বপূর্ণ শরিক মন্ত্রীদের এবার আয়োগের সদস্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীই আয়োগের চেয়ারম্যান হন। তবে মোদী বদলানটি ভাইস চেয়ারম্যান এবং চার গুরুত্বপূর্ণ বিশেষজ্ঞ সদস্যকে। সুমন কে বেরি এবারও ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলাবেন।
আগের যোজনা কমিশন তুলে দিয়ে মোদী গঠন করেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশন ফর ট্রান্সফরমিং ইন্ডিয়া। ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিরোধীরা সহমত নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক মুখ্যমন্ত্রী যোজনা কমিশনকে পুনর্বহাল করার দাবি জানিয়ে আসছেন। আসলে যোজনা কমিশনে রাজ্যগুলির মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার যে সংস্থান রাখা হয়েছিল নীতি আয়োগে তা নেই। নয়া ব্যবস্থায় নীতি আয়োদের সিদ্ধান্ত বা পরামর্শ রাজ্যগুলির কাছে নির্দেশ হিসাবে পাঠিয়ে থাকে কেন্দ্রী। দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা রচনা ও বাস্তবায়নে নীতি আয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
নয়া কমিটিতে বিজেপি থেকে গুরুত্ব পেয়েছেন কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। মধ্যপ্রদেশের পাঁচবারের মুখ্যমন্ত্রী এবং ওই রাজ্যে কৃষি বিকাশের কারিগর বলে খ্যাত শিবরাজকে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী না করে এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসেন মোদী। তাঁকে দলের সংসদীয় বোর্ডেরও সদস্য করা হয়্ছে। এছাড়া সরকারের একাধিক কমিটির মাথায় বসানো হয়েছে তাঁকে। যা থেকে স্পষ্ট আরএসএসের অত্যন্ত আস্থাভাজন এই নেতাকে মোদী ক্রমশ ‘নিজের লোক’ করে নিচ্ছেন। মোদীর দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরও ছিলেন মধ্যপ্রদেশের মানুষ। কিন্তু নীতি আয়োগে জায়গা হয়নি তাঁর।
কেন্দ্রের বাকি বিজেপি মন্ত্রীদের মধ্যে আছেন রাজনাথ সিং, অমিত শাহ, নির্মলা সীতারমন এবং নীতিন গডকড়ি। মোদী শরিক দলের যে মন্ত্রীদের নীতি আয়োগের কমিটিতে নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে তিনজনই বিহারের—জনতা দল ইউনাইটেডের রাজীব রঞ্জন সিং ওরফে লল্লন সিং, হিন্দুস্থানী আম মোর্চার জীতন রাম মাজি, লোকজন শক্তির চিরাগ পাশোয়ান, জনতা দল সেকুলারের এইচডি কুমারস্বামী এবং টিডিপির কেআর নাইডু।