
দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে কুরবানি ইদ।
শেষ আপডেট: 17 June 2024 11:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার, ১৭ জুন, দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ইদউল আযহা বা চলতি কথায় কুরবানির ইদ বা বকরি ইদ। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সহ তাবড় নেতানেত্রীরা সকলকে ইদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এদিন সকালে দিল্লির জামা মসজিদে নমাজ পাঠ হয়।
দিল্লির জামা মসজিদের কাছে মিনা বাজারে বকরি মেলা বসেছে প্রতিবারের মতো। একেকটি প্রমাণ সাইজের বকরির দাম প্রায় ২৫ হাজার টাকা ছুঁয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ভোপালে কুরবানির পশুর দাম পড়ছে প্রায় ৫০ হাজার থেকে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকার কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। খোলা জায়গায় কুরবানি নিষিদ্ধ করছে বিজেপি সরকার।
ইদউল আযহা হল মুসলিমদের ত্যাগ বা কুরবানির উৎসব। ইসলামি ক্যালেন্ডারের দ্বাদশ মাস ধু আল হিজাহ্-র দশম দিনে বকরি ইদ পালিত হয়। বকরি ইদ মানেই বিপুল পরিমাণে খাওয়াদাওয়া। যার মধ্যে একটি হল মাংস। মাংসের বিভিন্ন রকমের পদ রান্না হয় প্রায় প্রতিটি মুসলিম বাড়িতে। যার মধ্যে অন্যতম হল বিরিয়ানি।
বিরিয়ানি শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে নয়, তামাম বিশ্বেই একটি অতি জনপ্রিয় খাবার। মুঘল বংশের হাত ধরে এই খাবারটি ভারতে প্রবেশ করে। এর পিছনে হাত রয়েছে বেগম মুমতাজ মহল অর্থাৎ শাহজাহানের স্ত্রীর।
জনশ্রুতি এই যে, একদিন মুমতাজ দেখেন কয়েকজন সৈন্য ও তাঁদের সেনাপতি বাদশাহি খানসামাকে পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু খাবার রান্নার নির্দেশ দিচ্ছিলেন। এর ফলেই তৈরি হল বিরিয়ানি। একটা পাত্রে, এক আঁচে, সবরকম পুষ্টির মিশেল রয়েছে এই খাবারে।
আরেকটি কাহিনি প্রচলিত আছে। সেটা ১৩৯৮ সালের। তুর্কি-মোঙ্গল শাসক তৈমুরের সেনাবাহিনী এই খাবারের আমদানি করে বলে জনশ্রুতি আছে। বিরিয়ানি নামের সঙ্গে ফারসি যোগ রয়েছে। পারস্যে বিরিয়ান মানে পোড়া এবং বিরিঞ্জ নামের অর্থ হল প্রচুর মালমশলা সহ ভাত।
আবার কারও মতে, বিরিয়ানির উৎস সংস্কৃতেও আছে। প্রাচীন ভারতে বিরিয়ানির শুরুর দিনে মাংস-ভাত-মশলা মাখিয়ে একটি খাবার তৈরি করা হতো যার নাম মাংসদান।