
শেষ আপডেট: 15 December 2023 16:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গাড়ি দুনিয়ায় সম্ভ্রম জাগানো নাম, ‘রোলস রয়েস কালিনান’। রিলায়্যান্স প্রধান মুকেশ অম্বানীর দক্ষিণ মুম্বইয়ের অ্যান্টিলিয়ার গ্যারেজে শোভা পাচ্ছে সেই গাড়ি। ফোর্বসের বিচারে দেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি। তাই এ দেশে বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল এসইউভি রোলস রয়েস কালিনানের মালিক যে তিনি হবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে কালিনান শুধু নয়, বিশ্বের একাধিক দামি গাড়িই রয়েছে মুকেশের গ্যারাজে। এ বছরের সেরা তিন উবার-লাক্সারি গাড়ির মালিক রিল্যায়ান্স সুপ্রিমো।
১) রোলস রয়েস কালিনান ব্ল্যাক বেজ
‘রোলস রয়েস কালিনান’-এ মুকেশ ‘টাস্কান সান কালার স্পোর্টিং ভি-টুয়েল্ভ’ ইঞ্জিন বসিয়েছেন। যা ৫৬৪ ‘ব্রেক হর্স পাওয়ার (বিএইচপি)’ ক্ষমতা সম্পন্ন। বিশেষ নম্বর প্লেটের জন্য মুকেশ খরচ করেছেন ১২ লক্ষ টাকা।
কালিনান নামটি এসেছে বিশ্বের সব থেকে বড় হিরের নাম থেকে। দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৯০৫ সালে খুঁজে পাওয়া যায় ৩১০০ ক্যারেটের এই হিরে। নাম রাখা হয় কালিনান। সেই নাম থেকেই রোলস রয়েস তাদের এই বিলাসবহুল এসইউভির নাম রেখেছে, ‘কালিনান’। মুকেশের গ্যারাজে যে রোলস রয়েস কালিনান রয়েছে তার দাম ১০ কোটি টাকা।
এতে রয়েছে ৬.৮ লিটার ভি১২ পেট্রল ইঞ্জিন। সেই সঙ্গে রয়েছে টুইন টার্বোচার্জার। এতে রয়েছে ৮-স্পিড অটোমেটিক ট্রান্সমিশন সিস্টেম। কালিনান শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টার গতি তুলতে নেয় মাত্র ৫ সেকেন্ড। এই গাড়ির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটারের কাছাকাছি।
২) মার্সিডিজ-বেঞ্জ এস৬৮০ গার্ড
দেশের সবচেয়ে নিরাপদ বুলেট প্রুফ গাড়ি কিনেছেন মুকেশ। যার জন্য বিপুল টাকা খরচ করেছেন বলে খবর। বিলাসবহুল এই সেডানের নাম মার্সিডিজ-বেঞ্জ এস৬৮০ গার্ড। এই গাড়ি কেনার জন্য 10 কোটি টাকার বেশি খরচ করেছেন তিনি।
সাধারণ সেডানের থেকে ২ টন ওজন বেশি গাড়িটির। এই গাড়িতে রয়েছে বুলেট-প্রুফ, ব্লাস্ট-প্রুফ মাল্টি লেয়ার গ্লাস। এটি VPAM VR 10 (বেসামরিক গাড়ির জন্য সর্বোচ্চ ব্যালিস্টিক সার্টিফিকেশন) বৈশিষ্ট্যযুক্ত গাড়ি।
গাড়ির ডিজাইন সাধারণই রেখেছে মার্সিডিজ যাতে বাইরে থেকে দেখে এর বিশেষত্বগুলো টের না পাওয়া যায়। গাড়ির কাচ ৩.৫ থেকে ৪ ইঞ্চি পুরু। গাড়ির প্রতিটি দরজার ওজন ২৫০ কেজি। রয়েছে মোটা কোটিং। ড্রাইভারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য থাকবে অনবোর্ড ইন্টারকম সিস্টেম। পিছনের সিটে থাকবে অগ্নি-নির্বাপণ যন্ত্র, কম্প্রেসড এয়ার ট্যাঙ্ক। গাড়ির আরও একটি চমকে দেওয়ার মতো ফিচার হল রি-ইনফোর্সড টায়ার। এটি এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যে আপদকালীন সময়ে নির্ধারিত ওজনের বেশি ওজন নিয়ে ৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে ছুটতে পারবে।
৩) ফেরারি রোমা
মুকেশ আম্বানির কাছে আগেও তিন তিনটে ফেরারি ছিল। এবার যোগ হল ফেরারি রোমা। নিখুঁত স্টাইলিং, তেমনই পারফরম্যান্স। এই গাড়িটি কিনতে তিনি খরচ করেছেন ৪.৫ কোটি টাকা।
এই গাড়িতে রয়েছে ৮.৪ ইঞ্চি ট্যাবলেট ডিজাইনের টাচস্ক্রিন ইনফোটেনমেন্ট সিস্টেম, সঙ্গে ১৬ ইঞ্চির ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার। এটির ইঞ্জিন ক্যাপাসিটিও চমকে দেওয়ার মতো। ফেরারি রোমাতে আছে ৩.৯ লিটার টুইন টার্বো চার্জড V8 ইঞ্জিন। ০ থেকে ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতি তুলতে ফেরারি রোমা সময় নেয় সাড়ে তিন সেকেন্ড। গাড়ির সর্বোচ্চ গতি ৩২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা