
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 16 February 2025 20:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মনুষ্যজীবনের বৈঠা পার করে যে দেহ চিতায় বা কবরে শেষ হয়, এমন ভাবেই কি একেবারে ফুরিয়ে যাওয়ার কথা তার? ছাই হয়ে যাওয়া নশ্বর জীবন কি আলো জ্বেলে যেতে পারে না সন্ধানী চোখে?
উত্তর দিল তেলেঙ্গানার প্রত্যন্ত গ্রাম। যেখানে সকলেই অঙ্গদানে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন। হনুমানকোণ্ডার মুচরেলা গ্রামের জনসংখ্যা ৫০০। তাঁরা প্রত্যেকে চক্ষুদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আলোর পথযাত্রী তাঁদেরই গ্রামের এক ইঞ্জিনিয়ার।
রাজ্য সেচ দফতরের ইঞ্জিনিয়ার মণ্ডলা রবিন্দর। তিনি অঙ্গদানের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন তাঁর মাকে দিয়েই। মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর চক্ষুদান করেন রবিন্দর। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন "বিশ্বাস করি, মৃত্যুর পর অঙ্গদান করা উচিত। আমি নিজেও অঙ্গদান করার অঙ্গীকার করেছি। ২০১৯ সালে যখন বাবার মৃত্যু হয়, তখন তাঁরও অঙ্গদান করেছি।
গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অন্যদের এই বিষয়ে উৎসাহ জুগিয়ে আসছেন রবিন্দর। তাঁর এই সচেতনতার পাঠেরই ফল পেলেন তিনি। রবিন্দর আরও জানান, প্রথমে গ্রামবাসীদের মধ্যে সন্দেহ থাকলেও সেই মেঘ কেটে গেছে। তার প্রমাণ গোটা গ্রামের মানুষ চক্ষুদানের অঙ্গীকার করেছেন।
রবিন্দরের গ্রামই প্রথম নয়, ২০১৩ সালে গণহারে অঙ্গদান করে পথ দেখিয়েছিল কেরলের আলাপ্পুঝাড় ভেলিয়াম্বর নামে একটি গ্রামও। সে গ্রামের ৩০০ পরিবার অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত নেয়।