
শেষ আপডেট: 24 February 2024 08:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাকালে চালু হওয়া স্পেশাল ট্রেন আর চলবে না। ইতিমধ্যেই ধাপে ধাপে তা কমতে শুরু করেছে। খুব তাড়াতাড়ি সব স্পেশাল ট্রেনই বন্ধ করে দেবে রেল। তার পরিবর্তে পুরনো নিয়মে মেল, এক্সপ্রেস ট্রেন চালানো হবে। এখনও পর্যন্ত স্পেশাল ট্রেনের জন্য যে ৩০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাড়া যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে, এর ফলে তা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে রেলমন্ত্রক।
করোনা চলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কিন্তু সেই বর্ধিত ভাড়া কমানোর কথা এখনও ভাবেনি রেল। অতি মহামারীর সময় সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। দূরপাল্লার মেল, এক্সপ্রেসই হোক কিংবা প্যাসেঞ্জার ট্রেন, ‘স্পেশাল’ হিসেবে সেগুলি ধাপে ধাপে চালানো শুরু হয়। ফলে ফারাক হয়ে যায় যাত্রীভাড়ায়। আগে যেখানে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের ভাড়া ছিল ১০ টাকা, তা এক ধাক্কায় ২০ টাকা বেড়ে যায়। নতুন ভাড়া হয় ৩০ টাকা। কিন্তু এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরেও সেই বর্ধিত ভাড়া কমার নাম নেই। যাত্রীদের অভিযোগ, তিনগুণ বেশি ভাড়ার ‘ট্রেন্ড’ এখনও চালিয়ে যাচ্চে রেল।
যাত্রীরা বলছেন, করোনাকালে স্পেশাল তকমা দিয়ে ট্রেন চালানো শুরু করে রেল। এখন করোনা পরিস্থিতি ক্রমশই নিয়ন্ত্রণে চলে আসার সঙ্গে সঙ্গে রেলও পরিষেবা স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে এখনও অনেক ট্রেনই স্পেশাল হিসেবেই চলছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, ‘‘এই সব স্পেশাল ট্রেনে সফরের জন্য যাত্রীদের ৩০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে। মন্ত্রক ঠিক করেছে খুব তাড়াতাড়ি এই ব্যবস্থা বন্ধ করা হবে।’’
করোনা পরিস্থিতির আগে মোটামুটি ১,৭০০ মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন চালাত রেল। কিন্তু করোনা সংক্রমণ বড় আকার নেওয়ার পরেই অধিকাংশ ট্রেন চালানো বন্ধ হয়ে যায়। সেগুলির প্রায় সবই এখন চালু হয়ে গিয়েছে। রেলমন্ত্রী বলেন, ‘‘করোনার সময়ে রেল অনেক ট্রেনকে কোভিডের বিধি মেনে স্পেশাল নাম দিয়ে চালিয়েছিল। ট্রেনে যাতে ভিড় বেশি না হয় সেটাই ছিল লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই ৭৫ শতাংশ ট্রেনের স্পেশাল তকমা তুলে নেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ শতাংশের ক্ষেত্রেও পুরনো ভাড়া চালুর সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি তা কার্যকর হবে।’’