Date : 16th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিরাট ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লখনউ! রশিখ-ভুবনেশ্বরদের বোলিং দাপটে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আরসিবি‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডিরটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলিকে জরুরিকালীন ক্ষমতা প্রয়োগের নির্দেশ পাঠাল কেন্দ্র

একইদিনে কেন্দ্রীয় সরকার সেনাপ্রধানকে টেরিটোরিয়াল আর্মি মোতায়েনের পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সেনাপ্রধানকে ক্ষমতা বৃদ্ধি করে টেরিটোরিয়াল আর্মি প্রয়োগের ক্ষমতা দিয়ে দেওয়ায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ভারতীয় বাহিনীর ধারে ও ভারে শক্তিবৃদ্ধি ঘটবে। প্রচলিত সেনাবাহিনীর পাশাপাশি টেরিটোরিয়াল আর্মিতে নথিভুক্ত অর্থাৎ সংরক্ষিত সেনা কিংবা সদ্য অবসরপ্রাপ্ত অফিসারদের ফ্রন্টলাইনে ডাকার ক্ষমতা দেওয়া হল সেনাপ্রধানকে।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলিকে জরুরিকালীন ক্ষমতা প্রয়োগের নির্দেশ পাঠাল কেন্দ্র

অমিত শাহ।

শেষ আপডেট: 9 May 2025 16:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সরকারকে অসামরিক প্রতিরক্ষা বিধি অনুযায়ী জরুরি বা আপৎকালীন ক্ষমতা জারির নির্দেশ দিয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ে শুক্রবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও আইবি প্রধানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পরেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই নির্দেশিকা পাঠায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সব রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব ও প্রশাসনকে সিভিল ডিফেন্স বিধি অনুযায়ী আপৎকালীন ক্ষমতা জারির কথা বলা হয়েছে। এই নির্দেশের প্রাথমিক কারণই হল আগাম সতর্কতামূলক বিবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে রাজ্য সরকারগুলিকে। সিভিল ডিফেন্স রুলস, ১৯৬৮-র ১১ নম্বর বিধি অনুসারে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যদি শত্রু শিবির থেকে হামলা ধেয়ে আসে, তাহলে রাজ্যগুলি বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

এই বিশেষ আপৎকালীন ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে, নাগরিকদের জীবন-সম্পত্তি রক্ষায় নিজ দায়িত্বে দ্রুত পদক্ষেপ করতে পারা। অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা যেমন বিদ্যুৎ, জল সরবরাহ এবং পরিবহণ ব্যবস্থা সচল-স্বাভাবিক রাখা। স্থানীয় প্রশাসন যেমন পুরসভাগুলিকে এইসব জরুরিকালীন পরিষেবা জারি রাখতে হয় নিজস্ব তহবিল থেকে। সর্বোপরি পুরসভাগুলির নিত্যনৈমিত্তিক দায়িত্ব পালনের চেয়েও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পালন করতে হয়।

এই বিধিতে রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া আছে এ বিষয়ে যে, হামলা হলে রাজ্য সরকারগুলি নিজের দায়িত্বে বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পত্তি সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে পারে। একইসঙ্গে জীবনধারণের অনুকূল অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবায় ঘাটতি যাতে না ঘটে। সহজ কথায়, জাতীয় সুরক্ষা বিপন্ন হলে রাজ্য সরাসরি জরুরি পদক্ষেপ করতে পারবে এবং স্থানীয় প্রশাসনকে রোজকার কাজের থেকেও এই কাজকে অগ্রাধিকার দিয়ে করতে হবে।

একইদিনে কেন্দ্রীয় সরকার সেনাপ্রধানকে টেরিটোরিয়াল আর্মি মোতায়েনের পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সেনাপ্রধানকে ক্ষমতা বৃদ্ধি করে টেরিটোরিয়াল আর্মি প্রয়োগের ক্ষমতা দিয়ে দেওয়ায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ভারতীয় বাহিনীর ধারে ও ভারে শক্তিবৃদ্ধি ঘটবে। প্রচলিত সেনাবাহিনীর পাশাপাশি টেরিটোরিয়াল আর্মিতে নথিভুক্ত অর্থাৎ সংরক্ষিত সেনা কিংবা সদ্য অবসরপ্রাপ্ত অফিসারদের ফ্রন্টলাইনে ডাকার ক্ষমতা দেওয়া হল সেনাপ্রধানকে।


```