
শেষ আপডেট: 19 March 2024 13:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভা যুদ্ধ যখন ঢাক পেটাচ্ছে আমজনতার দোরগোড়ায়, তখন কয়েক প্রজন্ম পরের যুদ্ধকৌশল নীতি অবলম্বন করতে চলেছে দেশের সেনাবাহিনী। যাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে সেনাবাহিনীতে একটি 'এলিট প্রযুক্তি'র ইউনিট অন্তর্ভুক্ত করার দিকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় কোমর বাঁধছে ভারত।
আগামী দিনে যুদ্ধ কৌশল শক্তি ও সামর্থের চেয়েও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে সিগন্যাল বা যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর। যার হাতে যত দ্রুত যোগাযোগ কৌশল-অস্ত্র থাকবে, সে তত এগিয়ে থাকবে রণনীতিতে। আর সেই দূরদৃষ্টির কথা মাথায় রেখে ভারতীয় সেনাবাহিনী সিগন্যালস টেকনোলজি ইভ্যালুয়েশন অ্যান্ড অ্যাডাপটেশন গ্রুপ (এসটিইএজি) নামে একটি এলিট ইউনিট গড়ে তুলতে চলেছে।
স্টেয়াগ-এর কাজই হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের যোগাযোগ প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা এবং তার নতুন নতুন মূল্যায়ন করা অর্থাৎ আরও আধুনিক করে তোলার কাজ। এতে যুক্ত হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা, ফাইভ জি, সিক্স জি, মেশিন লার্নিং, কোয়ান্টাম টেকনোলজিকে সেনাবাহিনীর কাজের উপযোগী করে ব্যবহার করা।
সেনাবাহিনীর এক উচ্চ পদাধিকারী জানান, এই সময়ে তো বটেই ভবিষ্যতে অতি-উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাই হবে যে কোনও বাহিনীর মূল অস্ত্র। যুদ্ধক্ষেত্রে যেভাবে প্রযুক্তির ব্যবহারে দ্রুত বিবর্তন ঘটছে, তাতে যার হাতে যত উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকবে, তারা তত এগিয়ে থাকবে। আধুনিক যুদ্ধে জওয়ানদের কাছে বাধাহীন ও দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা তুলে দেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি।
তথ্যপ্রযুক্তির এই এলিট ইউনিট স্টেয়াগ ১২ লক্ষ জওয়ানের কাছে শক্তিশালী ডিজিটাল যোগাযোগ পৌঁছে দেবে, সেই লক্ষ্যেই এগচ্ছে ভারত। এই ইউনিটের মাথায় থাকবেন কর্নেল পদের একজন অফিসার। এই টিম তারযুক্ত এবং তারবিহীন দুরকমেরই প্রযুক্তিকে নিখুঁত বাধাহীনভাবে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হবে। তাঁর মতে, এর ফলে সশস্ত্র বাহিনী এবং তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প ও গবেষণার মধ্যে সেতুবন্ধন ঘটবে।