
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 9 June 2024 11:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বামীর বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছিলেন স্ত্রী। অপরাধটিকে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করার জন্য আদালতে আবেদনও জানিয়েছিলেন ওই বধূ।
মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট ওই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। বিচারপতি প্রেম নারায়ণ সিংয়ের একক বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, বৈবাহিক ধর্ষণ কোনও অপরাধ নয়। কারণ, এক্ষেত্রে দুজনের সম্মতি থাকে।
আদালতে ওই গৃহবধূ অভিযোগ করেছেন যে তাঁর স্বামী তাঁর সাথে অস্বাভাবিক যৌনকর্ম করেছেন। যার ফলে তিনি সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন। ২০ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য স্বামী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগও এনেছেন ওই মহিলা।
আদালতে ওই মহিলার স্বামীর আইনজীবী দাবি করেছিলেন, স্বামী স্ত্রীর মিলন কখনও ধর্ষণ বা অস্বাভাবিক যৌনতা হতে পারে না। অপরাধমূলক দৃষ্টিভঙ্গি দেওয়ার জন্য দাম্পত্য কলহকে ধর্ষণ বা অস্বাভাবিক যৌনতার রূপ দেওয়া হচ্ছে। সেকারণেই বিপুল পরিমাণ ক্ষতিপূরণও চাওয়া হয়েছে।
শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, অপরাধমূলক দৃষ্টিভঙ্গি দেওয়ার জন্য দাম্পত্য কলহকে অনেক সময় ধর্ষণ বা অস্বাভাবিক যৌনতার রূপ দেওয়ার প্রবণতা থাকে। এরপরই মামলাটিকে খারিজ করে দেন বিচারক। তবে সংবিধানের ৪৯৮ এ ধারায় বধূ নির্যাতনের মামলাটি আদালত গ্রহণ করেছে।
এর আগে, হাইকোর্ট অস্বাভাবিক যৌনতার অপরাধে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর দায়ের করা একটি মামলা বাতিল করে বলেছিল যে ভারতে এখনও পর্যন্ত বৈবাহিক ধর্ষণ স্বীকৃত হয়নি। আদালত, সংবিধানের ৩৭৫ (ধর্ষণ) ধারার উল্লেখ করে বলেছে যে বৈবাহিক ধর্ষণ কোনও অপরাধ নয়। কারণ, পনের বছরের কম বয়সী না হলে মিলনের সময় স্ত্রীর সম্মতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়।