.jpeg)
রাজ্যের মানুষ সরকারের প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয়।
শেষ আপডেট: 19 November 2024 13:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মণিপুরে সপ্তাহখানেক ধরে ফের জাতিদাঙ্গার জেরে আগুন জ্বলে উঠেছে। এই অবস্থায় আজ, মঙ্গলবার রাজ্যের কুকি সংগঠনগুলি চূড়াচাঁদপুর জেলায় এক প্রতীকী 'কফিন মিছিলের' ডাক দিয়েছে। জঙ্গি তকমা দিয়ে সিআরপিএফ বাহিনীর ১০ জন কুকি-জো যুবককে খুনের প্রতিবাদে এই মিছিল ডাক দিয়েছে কুকি ছাত্র সংগঠনগুলি। দশম শ্রেণির ঊর্ধ্বে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের কালো জামা পরে মিছিলে অংশ নিতে বলেছে জোমি স্টুডেন্টস ফেডারেশন, কুকি স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন এবং হমার স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন। একটি সংগঠন জানিয়েছে, ১০টি প্রতীকী কফিন নিয়ে শোক-প্রতিবাদ মিছিল বেরবে।
এদিকে, মণিপুরের মেইতেই নাগরিক সমাজ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকায় যারপরনাই অসন্তুষ্ট। একটি বৈঠকে তারা একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। যাতে শাসকদলের বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করে সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরকার কঠোর পদক্ষেপ না করলে তারা চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেবে বলে হুমকি দিয়েছে।
ঘরে-বাইরে কোণঠাসা মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং সোমবার সন্ধ্যায় একটি শাসক জোটের একটি বৈঠক ডেকেছিলেন। এনডিএ জোটের ৩৮ জন বিধায়কের মধ্যে ২৭ জনই সেই বৈঠক করেন। তাঁরা গরহাজিরার কোনও কারণও জানাননি। সেই বৈঠকে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়াও রাজ্যে ফের সেনাবাহিনী বিশেষ ক্ষমতা বা আফস্পা প্রয়োগের দাবি জানানো হয়। তিনটি গণখুনের মামলায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে নিয়োগ এবং জিরিবাম জেলায় মেইতেই খুনের ঘটনায় কুকি জঙ্গিদের বেআইনি বা নিষিদ্ধ করার দাবি তোলা হয়েছে।
এর জবাবে মেইতেই সম্প্রদায়ের মণিপুর সংহতি সংগঠনের সমন্বয়কারী কমিটির মুখপাত্র বলেন, রাজ্যের মানুষ সরকারের প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয়। এটা শুধু জিরিবাম জেলার বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গতবছর মে মাস থেকে হামলা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। মণিপুর শান্তি চুক্তির সময় যে যে গোষ্ঠীর সঙ্গে অস্ত্র সংবরণের কথা হয়েছিল, তাদের সকলের সঙ্গে কথা বলা উচিত সরকারের। এই সরকারের স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় মণিপুরের মানুষ।