
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 17 July 2024 09:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদের মামলায় পুলিশ দু-পক্ষকে থানায় ডেকে পাঠিয়েছিল। এক পক্ষে বছর ষাটেক বয়সের এক মহিলা ও তাঁর দুই ছেলে উপস্থিত ছিলেন। আর এক পক্ষের তরফে ছিলেন মহিলার দেওর। হঠাই মহিলার এক ছেলে কেরোসিনে ভেজানো কাপড় জড়ানো লাঠিতে আগুন ধরিয়ে মায়ের গায়ে লাগিয়ে দেয়। থানাতেই ৭০ শতাংশ পুড়ে যায় মহিলার দেহ। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন তাঁকে।
এমন মর্মান্তিক এবং অভাবনীয় ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের আলীগড়ে। সেখানে খাইর থানা ভবনে এমন ঘটনায় সকলেই হতবাক। প্রশ্ন উঠেছে উন্মাদ ছেলেটিকে কেন পুলিশ আগেই আটকাতে পারল না। অগ্নিদ্বগ্ধ মহিলাকে পুলিশ কর্মীদের কেউ দ্রুত রক্ষা করার চেষ্টাও করেনি। এই ফাঁকে ছেলেটি সামনে দাঁড়িয়ে মায়ের যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর দৃশ্য ভিডিও বন্দি করে।
कितनी शर्मनाक बात है...
— Sachin Gupta (@SachinGuptaUP) July 16, 2024
महिला तेल छिड़ककर सुसाइड करने पुलिस स्टेशन में आती है। उसके हाथ में लाइटर होता है। पुलिसकर्मी उससे लाइटर छीनता है। इस छीनाझपटी में लाइटर नीचे गिर जाता है। पीछे खड़ा महिला का बेटा इस लाइटर को उठाकर अपनी मां को आग लगा देता है।
????अलीगढ़, उत्तर प्रदेश https://t.co/yOP2L21jAD pic.twitter.com/SAbTdBuKLN
জানা গিয়েছে, ভয়ে পুলিশও যে যার জায়গা থেকে সরে যায়। পরে ছেলেটিকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে ছেলেটি বলেছে, জমি-বাড়ি নিয়ে কাকার সঙ্গে বিবাদের মোড় ঘোরাতেই সে এমন কাণ্ড ঘটেছে। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল কাকা ও পুলিশের উপর চাপ তৈরি করা। যদিও কারও কাছেই এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি।
আলীগড় দেহাত বা গ্রামীণ এলাকার পুলিশ সুপার পলাশ বনশল জানিয়েছেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর মহিলা দুই ছেলেকে নিয়ে দারকার নাগারিয়া গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন। বাড়ির এক প্রান্তে থাকেন তাঁর দেওর। বাড়ি এবং সম্পত্তি নিয়ে দেওরের সঙ্গে মহিলার বিবাদ চলছিল।
মা’কে হত্যার দায়ে পুলিশ অভিযুক্ত গৌরব কুমরাকে গ্রেফতার করেছে। তবে এই ঘটনায় জনসাধারণ এবং পুলিশ মহলেও প্রশ্ন উঠেছে থানার মধ্যে কী করে একজন এইভাবে একজন মহিলাকে পুড়িয়ে মারতে পারল। প্রশাসন ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।