খুনের পর সোনু নিজেই পুলিশকে ফোন করে ঘটনার কথা জানায় এবং সেখান থেকে পালিয়ে যায়। যদিও পুলিশ পরে তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

স্বামীর সন্দেহ খুন তরুণী
শেষ আপডেট: 22 September 2025 15:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে স্ত্রীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশের এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে নিজেই পুলিশকে খবর দেন। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনকি জেরায় খুনের অপরাধ স্বীকারও করেছেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত মহিলার নাম চঞ্চল শর্মা (২৮)। একটি পিৎজার দোকানে কাজ করতেন। তাঁর স্বামী সোনু শর্মা গত দু'মাস ধরে বেকার ছিলেন। কিন্তু স্ত্রীর কাজ করা নিয়ে আপত্তি ছিল যুবকের। এই নিয়ে দম্পতির মধ্যে প্রায়ই অশান্তি হত। তবে চঞ্চল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, সংসার চালাতে গেলে কাজ করতে হবেই। আরও জানা গেছে, আট বছর আগে দম্পতির বিয়ে হয়েছিল। তাঁরা এক সন্তানকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।
অভিযোগ, রবিবার সকালে ফের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। কথা কাটাকাটির মধ্যেই সোনু প্রথমে স্ত্রীর মুখ কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়, তারপর ছুরি দিয়ে বারবার আঘাত করে বলে অভিযোগ। চঞ্চলের চিৎকার শুনে তাঁদের সাত বছরের মেয়ে ও পাঁচ বছরের ছেলে ঘুম থেকে জেগে উঠে ছুটে আসে। তারা মা-কে বাঁচানোর চেষ্টা করলে সোনু তাদের ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেন। এতে শিশুটিও আহত হয়েছে বলে খবর।
খুনের পর সোনু নিজেই পুলিশকে ফোন করে ঘটনার কথা জানায় এবং সেখান থেকে পালিয়ে যায়। যদিও পুলিশ পরে তাঁকে গ্রেফতার করেছে।
উত্তরপ্রদেশের কানপুরেই আরও একটি নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটেছে। প্রেমঘটিত সন্দেহের জেরে এক তরুণীকে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর লিভ-ইন পার্টনারের (Live-in partner) বিরুদ্ধে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আকাঙ্ক্ষা কানপুরের কানা ফুড রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন। তিনি ২১ জুলাই থেকে নিখোঁজ ছিলেন। ৮ অগস্ট থানায় অভিযোগ জানান তাঁর বাবা বিজয় শ্রী। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ। মোবাইল কল রেকর্ড ঘেঁটে পুলিশের হাতে আসে সুরজ কুমার উত্তমের নাম। পুলিশের দাবি, অন্য এক যুবকের সঙ্গে আকাঙ্ক্ষার যোগাযোগ থাকার সন্দেহের জেরেই খুন হন তরুণী। প্রমাণ লোপাট করতে দেহ ফেলে যমুনা নদীতে ফেলে আসার পরিকল্পনাও ছিল সেই যুবকের। মৃতদেহ ব্যাগে ভরে তা নিয়ে সেলফিও (selfie with body) তুলেছিল সে।