এই অভিযানের আগে, ছত্তীসগড়ের আবুজমাড় জঙ্গলে জেলা রিজার্ভ গার্ড (DRG)-এর নেতৃত্বে অভিযান চলে। তাতে মৃত্যু হয় শীর্ষ মাও নেতা নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজুর। ওই অভিযানে মোট ৩০ জন মাওবাদীকে খতম করা হয় বলে জানা গেছে।

ছবিটি সংগৃহীত
শেষ আপডেট: 24 May 2025 14:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের এক মোস্ট ওয়ান্টেড মাওবাদী নেতাকে খতম করল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। শনিবার সকালে ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হলেন ঝাড়খণ্ড জন মুক্তি পরিষদের প্রধান পাপ্পু লোহার। তাঁর মাথার দাম ছিল ১০ লক্ষ টাকা। একই সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ওই সংগঠনের আরও এক শীর্ষ নেতা প্রভাত গঞ্জু, যাঁর মাথার দাম ধার্য ছিল ৫ লক্ষ টাকা।
অভিযান চলাকালীন ওই মাওবাদী সংগঠনের সন্দেহভাজন এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি রাইফেল উদ্ধার করেছেন আধিকারিকরা। এখনও ঝাড়খণ্ডের লাতেহার অঞ্চলে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে যৌথবাহিনী।
এই অভিযানের আগে, ছত্তীসগড়ের আবুজমাড় জঙ্গলে জেলা রিজার্ভ গার্ড (DRG)-এর নেতৃত্বে অভিযান চলে। তাতে মৃত্যু হয় শীর্ষ মাও নেতা নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজুর। ওই অভিযানে মোট ৩০ জন মাওবাদীকে খতম করা হয় বলে জানা গেছে।
২০২৬ সালের মধ্যে গোটা দেশকে নকশালমুক্ত করার অঙ্গীকার করেছে দিল্লি। ফলে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই লাগাতার অভিযান জারি থাকবে আগামিদিনেও।
এদিকে, শুক্রবার রাতে ছত্তীসগড়ের বিজাপুর জেলায় ২৪ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। একই রাজ্যের বস্তারেও ৩৩ জন মাওবাদী পুলিশের কাছে ধরা দেন। যাঁদের ২৪ জনের মাথার দাম ছিল ৯১ লক্ষ টাকার পুরস্কার ছিল।
ছত্তীসগড়ের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অরুণ সাও এই আত্মসমর্পণ প্রসঙ্গে বলেন, 'এখন মাওবাদীরা উগ্রপন্থার পথ ছেড়ে মূলস্রোতে ফিরছেন। আমরা এই আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের পুনর্বাসন ও সমাজে ফেরানোর চেষ্টা করব। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।'
একই দিনে মহারাষ্ট্রের গঢ়চিরোলি জেলায় কম্যান্ডো বাহিনীর সঙ্গে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন চারজন শীর্ষ মাওবাদী। ঘটনাস্থল থেকে প্রচুর অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও, ছত্তীসগড়ের সুকমা জেলাতেও শনিবার সকালেই এক মাওবাদী নিহত হন নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে।