
নানা পাটোলে
শেষ আপডেট: 25 November 2024 15:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে লজ্জাজনক হার হজম করতে হয়েছে বিরোধী জোট মহা বিকাশ আঘাড়িকে। সেই ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নানা পাটোলে।
শনিবার ফলাফল বেরলে দেখা যায় বিরোধী জোটের প্রধান দল কংগ্রেস মহারাষ্ট্র বিধানসভার ১০৩ আসনে প্রার্থী দিলেও জয় এসেছে মাত্র ১৬টিতে। তবে নিজের কেন্দ্র সাকোলি থেকে টেনেটুনে ২০৮ ভোটের ব্যবধানে জিতলেও হাত শবির বা বিরোধী জোটের লাভের লাভ কিছুই হয়নি। সে কারণেই দলের লজ্জাজনক ফলাফলের দায় নিজের মাথায় নিয়েই পাটোলে ইস্তফা দিয়েহেন বলে খবর।
২০২১ সালে বালাসাহেব থোরাটের জায়গায় মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের দায়িত্ব নেন তিনি। কিন্তু বছর তিনেক কেটে গেলেও মারাঠাবাসীর মনে কোনওভাবেই কংগ্রেস দাগ কাটতে পারেনি বলে খবর। কিন্তু নয়া পদে দায়িত্ব নেওয়ার পরই বিগত লোকসভা ভোটে মহারাষ্ট্রের ১৭টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১৩টি আসনেই জয় পেয়েছিল কংগ্রেস।
কিন্তু উপনির্বাচনের ফল বেরতেই দেখা গেল, লোকসভা ভোটের ফলাফলের ট্রেন্ড ধরে রাখতে একেবারেই ব্যর্থ রাহুল গান্ধী ব্রিগেড। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে, পাটোলের সঙ্গে আসন রফা নিয়ে বৈঠকেই বসতেই চাননি উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ও শরদ পওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি।
যদিও বিধানসভা ভোটের আগেও বেশ হাঁকডাক করতেই দেখা গিয়েছিল নানা পাটোলেকে। শরিকদের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করেই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছিলেন, অন্য কোনও দল নয়, মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় আসবে কংগ্রেস। যা নিয়ে উদ্ধব গোষ্ঠীর নেতা সঞ্জয় রাউতের সঙ্গে ভালই মন কষাকষি হয়েছিল মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস সভাপতির।
মারাঠাভূমে এমন হতশ্রী ফলাফলের পর সংগঠন নিয়ে কাটাছেঁড়ার পথে হাটতে পারে রাহুল গান্ধীর দল। সে প্রসঙ্গে পাটোলে জানিয়েছেন, ‘ইভিএম নিয়ে অভিযোগ নয়, খারাপ ফলাফলের কারণ খুঁজে বের করার এটাই সঠিক এবং আদর্শ সময়।’ তবে কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করায় পাটোলের চেয়ারে কে বসবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।