
স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য কেন্দ্র জমি বরাদ্দ করবে
শেষ আপডেট: 31 December 2024 12:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিসৌধ নির্মাণ নিয়ে সিদ্ধান্ত হলেও তা চূড়ান্ত রূপ পেতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য কেন্দ্র জমি বরাদ্দ করবে, যেখানে গড়ে উঠবে প্রস্তাবিত সৌধ। কিন্তু, যা কেবলমাত্র মনমোহনের নামে গঠিত একটি অছি পরিষদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। প্রধান সমস্যাটি হচ্ছে, এরকম কোনও ট্রাস্টই এখনও পর্যন্ত গড়ে তোলা হয়নি।
সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতিসৌধও এই লালফিতের ফাঁসে প্রায় মাসখানেক ধরে টালবাহানা চলেছিল। বাজপেয়ীর মৃত্যুর পরে তাঁর নামে অটল সমিতি ন্যাসের হাতে (ট্রাস্ট) জমি বরাদ্দ করতেই মাসখানেক সময় কেটে গিয়েছিল। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্র স্মৃতিসৌধ গড়তে বদ্ধপরিকর, কিন্তু তা হতে পারে একমাত্র ট্রাস্ট গঠনের পরে।
সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজঘাট এলাকাতেই মনমোহনের স্মৃতিসৌধ গড়ার জমির খোঁজ করার প্রাথমিক পর্ব শুরু হয়েছে। তবে সরকারি পদস্থ এক কর্তা জানিয়েছেন যে, ট্রাস্ট গঠনের পরে তারা যখন আনুষ্ঠানিকভাবে সৌধ গড়ে তোলার জমির আবেদন করবে, তখনই তা দেওয়া হবে।
অটল সমিতি ন্যাসের এক সদস্য জানান, সদৈব অটল নামে নামে বাজপেয়ীর সৌধ গড়ার সময় একই নিয়ম পালন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর পর আমরা সরকারের কাছে জমির আবেদন করেছিলাম। এবং তারপরেই কেন্দ্রীয় পূর্ত মন্ত্রকের সঙ্গে ট্রাস্টের একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর হয়েছিল। স্মৃতিসৌধের নকশা করেছিল স্কুল অফ প্ল্যানিং অ্যান্ড আর্কিটেকচার। তারপর ট্রাস্টের পক্ষ থেকে পূর্ত বিভাগকে সৌধ নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ করা হয়।
বাজপেয়ীর স্মৃতিসৌধ গড়ে উঠেছিল দেড় একর জমির উপর, রাষ্ট্রীয় স্মৃতিস্থলে। এখানেই ২০১৮ সালের ১৭ অগস্ট তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নীতি পরিবর্তনের কারণেই স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জমি একমাত্র ট্রাস্টের হাতেই দেওয়া হয়, বলেন ওই সদস্য। আপাতত জানা গিয়েছে, সরকার রাজঘাটে একটি দেড় একর জমির খোঁজ চালাচ্ছে। যেখানে তৈরি করা হবে মনমোহনের সৌধ। তবে একটি ট্রাস্ট গঠন করতে এবং তার রেজিস্ট্রেশনে আরও চার-পাঁচদিন সময় লাগবে।
কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, সৌধ নির্মাণের বিষয়ে তারা এখনও বিস্তারিত কিছু জানে না। বর্তমানে রাজঘাট চত্বরে মোট ১৯টি সৌধ আছে। যেখানে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং উপ প্রধানমন্ত্রীদের সৌধ রয়েছে। এছাড়া, ব্যতিক্রম হিসেবে সঞ্জয় গান্ধী এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর স্ত্রী ললিতা শাস্ত্রীর সৌধও এখানে রয়েছে।