
উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেলের মুখের কথা।
শেষ আপডেট: 19 November 2024 18:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কুম্ভকর্ণ প্রযুক্তিবিদ ছিলেন। তাঁর তথাকথিত নিদ্রা আসলে গবেষণার কৌশল। তিনি দীর্ঘ ৬ মাস তাঁর গবেষণাগারে ঘুমের নাম করে গোপনে মেশিন তৈরি করতেন। কোনও কল্পবিজ্ঞানের সিনেমার প্লট নয়। উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেলের মুখের কথা। এখানেই শেষ করেননি আনন্দীবেন। তিনি বলেন, রাইট ভ্রাতৃদ্বয় নন, বিমানের ধ্যানধারণা দিয়েছিলেন বৈদিক যুগের বিখ্যাত মুনি ভরদ্বাজ।
খাজা মইনুদ্দিন চিস্তি ভাষা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসবে উপস্থিত হয়ে এইসব দাবি করেন গুজরাতের প্রাক্তন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদী গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে চলে আসার সময় আনন্দীবেনই তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি কলেজের ওই সমাবর্তনে বলেন, অনেকেই কুম্ভকর্ণকে ভুল ব্যাখ্যা করেন। আসলে তিনি ছিলেন এক দক্ষ প্রযুক্তিবিদ। গবেষণায় যাতে বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য নিদ্রার কৌশল নিয়েছিলেন। এই সময়ে তিনি নিরুপদ্রবে গবেষণাগারে গোপনে নানান মেশিন তৈরি করতেন। তিনি মোটেই ৬ মাস ঘুমিয়ে থাকতেন না। এই গোপনীয়তার কারণ ছিল তাঁর উদ্ভাবনী কৌশল যাতে ভিনদেশে পাচার না হতে পারে।
অতীতে বিজ্ঞান ও অঙ্কের শিক্ষিকা থেকে আমেদাবাদের একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল হওয়া আনন্দীবেনের এই ভিডিওটি প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনাতে। এক্সবার্তায় শ্রীনাতে লিখেছেন, এই গুপ্তজ্ঞান দেওয়া হয়েছে সমাবর্তন উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের সামনে। ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, ছত্তীসগড়, মধ্যপ্রদেশ ও বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল বলছেন, কুম্ভকর্ণের দাদা রাবণ তাঁকে ৬ মাস বাইরে বেরতে বারণ করেছিলেন। কারণ মেশিন তৈরির কাজ অত্যন্ত গোপনে করা হতো।
পড়ুয়াদের তাঁর উপদেশ, ভারতের প্রাচীন সভ্যতা-সংস্কৃতিকে জানার জন্য প্রচুর পরিমাণে প্রাচীন বইপত্র পড়তে হবে। দেশের প্রাচীনকালের মুনিঋষিরা বহু কিছু আবিষ্কার করেছিলেন। যার সুফল এখন ভোগ করছে গোটা বিশ্ব। ভরদ্বাজ মুনির দৃষ্টান্ত টেনে আনন্দীবেন প্যাটেল বলেন, তিনিই বিমানের ধারণা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু, কৃতিত্ব গিয়েছে রাইট ভাইদের পকেটে। ভরদ্বাজ এমন মুনি যাঁর কথা রয়েছে রামায়ণ ও মহাভারত দুই ধর্মগ্রন্থেই।