Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেইনীতীশ জমানার অবসান! বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা ‘সুশাসন বাবু’র, কালই কি উত্তরসূরির শপথমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেফতারের পর এবার পরিবারের পালা! ইডির নজরে প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাই, তলব দিল্লিতেSakib Hussain: গয়না বেচে জুতো কিনেছিলেন মা, সেই ছেলেই আজ ৪ উইকেট ছিনিয়ে আইপিএলের নতুন তারকা হয় গ্রেফতার, নয় কৈফিয়ত! অমীমাংসিত পরোয়ানা নিয়ে কলকাতার থানাগুলোকে নির্দেশ লালবাজারের‘মমতা দুর্নীতিগ্রস্ত! বাংলায় শুধু সিন্ডিকেট চলে, কাজই বেকারের সংখ্যা বাড়ানো’, মালদহে রাহুল‘আমার মতো নয়’! সন্দেহের বশে ৬ বছরের ছেলেকে নদীতে ফেলে খুন, দেহ ভেসে উঠতেই ফাঁস বাবার কীর্তি

কেরলে মাম্পসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ১৯০, ঘরে ঘরে ভুগছে বাচ্চারা

ঘরে ঘরে সংক্রমিত শিশুরা। জরুরি অবস্থায় শিশুদের টিকাকরণ কর্মসূচী চালু করছে কেরল সরকার।

কেরলে মাম্পসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ১৯০, ঘরে ঘরে ভুগছে বাচ্চারা

শেষ আপডেট: 12 March 2024 10:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাম্পস সাঙ্ঘাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে কেরলে। প্রতি বছরই সিজন চেঞ্জের সময় মাম্পসের সংক্রমণ দেখা দেয়। তবে কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, এ বছর ভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ আকার নিয়েছে। একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯০। ঘরে ঘরে সংক্রমিত শিশুরা। জরুরি অবস্থায় শিশুদের টিকাকরণ কর্মসূচী চালু করছে কেরল সরকার।

কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, এক মাসে মাম্পসে আক্রান্ত ২ হাজারের বেশি। রাজ্যের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল জরুরি অবস্থা জারি করেছে। উত্তর কেরলের বেশিরভাগ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে মাম্পস। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে মাল্লাপুরম জেলায়।

 মাম্পস কী?

করোনার মতোই অত্যন্ত সংক্রামক মাম্পস। রুবেলাভাইরাসের পরিবারের অন্তর্গত প্যারামিক্সো ভাইরাস এই রোগের কারণ। মাম্পস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সেরোলজি বা এসভি অ্যান্টিজেন টেস্ট করে নেওয়া দরকার।

করোনার মতোই পলেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এই অসুখ। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ধূম জ্বর, মাথার যন্ত্রণা, গা-হাত-পা ব্যথা, জ্বর আর সামগ্রিক দুর্বলতা দিয়ে মাম্পসের সূত্রপাত হয়।

কেরলের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা বলছেন, গলায় ব্যথা, খাবার গিলতে কষ্ট হওয়ার মতো কিছু উপসর্গ নিয়ে বাচ্চাদের ভোগান্তি বেড়েছে। প্যারামিক্সো ভাইরাস মুখের লালাগ্রন্থিকে সংক্রমিত করে। ফলে গলা ব্যথা করে ও গাল ফুলে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কান আর চোয়ালের সামনের দিকে থাকা প্যারোটিড গ্ল্যান্ডকে আক্রমণ করে ভাইরাস। দেখা যায়, মুখের একদিক ফুলে গেছে, ভীষণ যন্ত্রণা হয়। ঢোঁক গিলতেও কষ্ট হয়। চোয়ালেও ব্যথা হয়। তাই খাবার চিবিয়ে খেতে ভয়ানক কষ্ট হয়। এমন কি জল বা তরল খাবার গেলাও কষ্টকর হয়ে ওঠে।

মূলত ৫–৬ বছরের বাচ্চা থেকে ৩৫–৪০ বছর বয়স পর্যন্ত মাম্পস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সংক্রমিত হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে ভাইরাস ডালপালা মেলতে থাকে। সাতদিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিতে থাকে। মাম্পস খুবই ছোঁয়াচে। আক্রান্তের থুতু, লালা, হাঁচি-কাশি থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। মাম্পসের টিকা নেওয়া থাকলে রোগের প্রকোপ এড়ানো যায়।


```