এই উদ্যোগে সাড়া দিয়েছেন সমাজের সব স্তরের মানুষজন। অনেক মহিলা তাঁদের ব্যক্তিগত সোনার গয়না দান করেছেন। ভারতে ইরানের দূতাবাস সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে কাশ্মীরবাসীর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছে।

ইরানের পাশে কাশ্মীর, যাচ্ছে ত্রাণ
শেষ আপডেট: 23 March 2026 12:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিম এশিয়ার (West Asia) যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের (Iran) পাশে দাঁড়াতে মানবিক উদ্যোগ নিল কাশ্মীর (Kashmir)। ঈদ-উল-ফিতর (Eid-ul-Fitr) কাটতে বদগাম (Budgam) ও বারামুল্লা (Baramulla)-সহ শিয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে শুরু হয়েছে ঘরে ঘরে ত্রাণ সংগ্রহ (relief drive)। অর্থের পাশাপাশি সোনা-রুপোর গয়না (gold and silver jewellery), গৃহস্থালির জিনিসপত্র, এমনকি পশুও (livestock) দান করছেন সাধারণ মানুষ।
এই উদ্যোগে সাড়া দিয়েছেন সমাজের সব স্তরের মানুষজন। অনেক মহিলা তাঁদের ব্যক্তিগত সোনার গয়না দান করেছেন। এক কাশ্মীরি বিধবা (widow) তাঁর প্রয়াত স্বামীর স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ২৮ বছর ধরে রেখে দেওয়া সোনার স্মারক (gold memento) তুলে দিয়েছেন ত্রাণ তহবিলে।
ভারতে ইরানের দূতাবাস (Iranian Embassy) সোশ্যাল মিডিয়ায় (social media) ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে কাশ্মীরবাসীর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। তাদের বক্তব্য, “কৃতজ্ঞতায় ভরা হৃদয়ে আমরা কাশ্মীরের মানুষের এই মানবিক সমর্থন (humanitarian support) ও সংহতির (solidarity) জন্য ধন্যবাদ জানাই। এই সহমর্মিতা কখনও ভোলা যাবে না।”
এক সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশুরাও তাদের সঞ্চয়ের টাকা (savings) ও ইদের উপহার (Eid money) দান করেছে। বদগামের বিধায়ক (MLA) মুনতাজির মেহদি (Muntazir Mehdi) এক মাসের বেতন (one month’s salary) ত্রাণে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শ্রীনগরের (Srinagar) রৈনাওয়ারি (Rainawari)-র বাসিন্দা আইজাজ আহমেদ (Aijaz Ahmad) এনিয়ে বলেন, “এই অবৈধ যুদ্ধ (illegal war) ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। সভ্য বিশ্বের (civilised world) ন্যূনতম কর্তব্য হল ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আমরাও তাই করেছি।”
প্রসঙ্গত, ইরানের দূতাবাস সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের (bank account) বিস্তারিত শেয়ার করার পর থেকেই ত্রাণ সংগ্রহ শুরু হয়। সংগৃহীত অর্থ ও সামগ্রী সরকারি ত্রাণ সংস্থা (relief organisations) এবং দূতাবাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।