
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 22 December 2024 19:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সদ্য একটি রিপোর্ট পেশ করেছে। যেখানে বলা হচ্ছে পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন মাত্র সাতজন যুবক। যে কারণে এই প্রবণতা এক 'বিরাট সাফল্য' বলে মনে করছে সেখানকার প্রশাসন।
উল্লেখযোগ্য ব্যাপার এই যে, শ্রীনগর থেকে একজনকেও জঙ্গিরা মগজধোলাই করে নিজের সংগঠনে সামিল করাতে পারেনি। অর্থাৎ, এই মুহূর্তে শ্রীনগরে কোনও স্থানীয় জঙ্গি সক্রিয় নেই। মূলত দক্ষিণ কাশ্মীরের সাত যুবক এবছর জঙ্গি সংগঠনে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন।
তবে, প্রশাসনের আধিকারিকরা অস্বীকার করতে পারছেন না যে কাশ্মীরের অন্যান্য অংশে 'হাইব্রিড জঙ্গি'রা সক্রিয় রয়েছে। কারা এই হাইব্রিড জঙ্গি? যারা পুলিশের ব়্যাডারে রয়েছে।
সন্ত্রাসদমন বাহিনীর সন্দেহ, শ্রীনগর বা অন্যান্য এলাকায় এই ধরনের হাইব্রিড জঙ্গি গা-ঢাকা দিয়ে থাকতে পারে। সেই সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও কোনও রকম এদিক ওদিক করলেই তাঁরা নাগালের মধ্যে চলে আসবে বলেও জানানো হয়েছে।
মনে করা হচ্ছে অন্তত ৫০ জন বিদেশি জঙ্গি কাশ্মীর, কিশতওয়ার এবং ডোডা এলাকায় সক্রিয় থাকতে পারে। যেহেতু বাহিনী ঘন ঘন অভিযান চালাচ্ছে, তাই তারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে। দক্ষিণ কাশ্মীরের কুপওয়ারা এবং কাশ্মীরের বান্দিপোরায় বিদেশি জঙ্গিরা সক্রিয় থাকতে পারে বলেও অনুমান তাদের।
প্রসঙ্গত, ক্যানিং থেকে রোববার সন্দেহভাজন কাশ্মীরি জঙ্গিকে গ্রেফতার করে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ। ধৃতের নাম জাভেদ আহমেদ মুন্সি। ক্যানিংয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছিল জাভেদ আহমেদ মুন্সি। ধৃত সন্দেহভাজন জঙ্গি জাভেদ শ্রীনগরের চানপুরার বাসিন্দা। তেহরিক-উল-মুজাহিদিনের সদস্য বলে অনুমান। ধৃতের বিরুদ্ধে আগেই রাষ্ট্রদ্রোহিতার ধারা রয়েছে।