
ছবিটি প্রতীকী
শেষ আপডেট: 18 January 2025 18:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোটায় আত্মঘাতী পড়ুয়া। ১৮ দিনে এই নিয়ে চার জন। শনিবার সকালে এক জেইই পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয় তাঁর দাদুর বাড়ি থেকে। জানা গিয়েছে, তিনি দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতের নাম মনন শর্মা, বয়স ১৭। তিনি দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়তেন। জেইই-র প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। শুক্রবার অনেক রাত পর্যন্ত ভাইয়ের সঙ্গে পড়াশোনা করেন। শনিবার ভোরে তাঁকে ফোন করলেও উত্তর পায় না পরিবারের কেউ। তাঁর ভাই পাশের ঘর থেকে গিয়ে দেখেন গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মনন।
তাঁর বাড়ি রাজস্থানের বুন্দি এলাকায়। কিন্তু মেধাবী এই ছাত্র জেইই-র প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কোটা থেকে। শেষ তিন বছর ধরে থাকতেন কোটায় দাদুর বাড়িতেই। কেন তিনি এমন করলেন, তা বুঝতে পারছেন না পরিবারের কেউ।
তাঁর মধ্যে শেষ কয়েকদিনে অস্বাভাবিকতার কোনও ছাপও পাওয়া যায়নি। ফলে খানিকটা অবাক পরিবারের সদস্যরা। তাঁর বাবা রাজস্থানের ব্যবসায়ী, একমাত্র ছেলের এমনভাবে মৃত্যু নিয়ে স্বভাবতই বাকরুদ্ধ।
তাঁর মামা জানিয়েছেন, পরিবার ও বাবা-মার অনুমতি নিয়ে মননের চোখ দান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকালই ১৮ বছর বয়সি এক পড়ুয়া আত্মহত্যা করেন কোটায়। ওড়িশা থেকে নিটের প্রস্তুতি নিতে কোটায় এসেছিলেন তিনি। দেহ পিজি রুম থেকে উদ্ধার করা হয়।
এর আগে ৮ জানুয়ারি, ২০ বছর বয়সি এক জেইই পড়ুয়া কোটারই একটি পিজিতে আত্মঘাতী হন। তিনি মধ্যপ্রদেশের গুনার বাসিন্দা ছিলেন। কোটায় থাকা শুরু করেন ২০২৩ সালের মে মাস থেকে।
পর পর এমন আত্মহত্যার ঘটনায় উদ্বেগে অভিভাবকরা। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, গত বেশ কয়েক বছরের তুলনায় ২০২৪-এ এই আত্মহত্যার পরিমাণ অনেকটা কমেছে। ২০২৩-এ ২৯ জন আত্মঘাতী হলেও ২০২৪-এ সেই সংখ্যা ১৯-এ দাঁড়িয়েছে। তাঁরা আশাবাদী, এই সংখ্যা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।