মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে বৈষ্ণব জানান, এ দিনই ৭০ হাজারের বেশি মানুষ সামিটে যোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “উদ্দীপনা স্পষ্ট। এখন আয়োজন অনেকটাই মসৃণ।

কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব
শেষ আপডেট: 17 February 2026 14:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এর (India AI Impact Summit) প্রথম দিনের বিশৃঙ্খলা নিয়ে ক্ষমা চাইলেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Electronics and IT Minister Ashwini Vaishnaw)। অনলাইনে ভিড় ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, “এটি বিশ্বের বৃহত্তম এআই সামিট (AI Summit)। সাড়া ছিল অভাবনীয়। যদি কেউ প্রথম দিনে সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন, আমরা তার জন্য দুঃখিত।”
মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে বৈষ্ণব জানান, এ দিনই ৭০ হাজারের বেশি মানুষ সামিটে যোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “উদ্দীপনা স্পষ্ট। এখন আয়োজন অনেকটাই মসৃণ। আপনারা যে কোনও মতামত দিন, আমরা খোলা মনে গ্রহণ করব।” পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘ওয়ার রুম’ চালু রয়েছে এবং তাঁর দল দিনরাত কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী।
সোমবার উদ্বোধনী দিনে বিপুল ভিড়ের জেরে একাধিক প্রবেশদ্বারে দীর্ঘ লাইন পড়ে। স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতা, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও প্রযুক্তি সংস্থার প্রতিনিধিদের ভিড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কঠোর ছিল। ফলে প্রবেশে দেরি, বিভ্রান্তি ও বারবার নিরাপত্তা পরীক্ষা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়। কয়েক জন প্রদর্শক জানান, নিরাপত্তা তল্লাশির সময়ে তাঁদের স্টল সাময়িকভাবে খালি করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু কবে ফের ঢুকতে পারবেন সে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা মেলেনি।
এই আবহেই ‘নিও স্যাপিয়েন’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ধনঞ্জয় যাদব অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে হঠাৎ খালি করার নির্দেশের পর তাঁর স্টলে রাখা এআই ওয়্যারেবল হারিয়ে যায়। তাঁর দাবি, “উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেই ডিভাইস উধাও।”। অন্য দিকে ‘রিস্কিল’-এর প্রতিষ্ঠাতা পুনীত জৈন বলেন, নির্বাচিত অতিথিদের প্রবেশ সীমিত হলে আগে থেকে জানানো উচিত ছিল। এভাবে ভারতের এআই ভবিষ্যৎ গড়া যায় না।
উদ্যোক্তা প্রিয়াংশু রত্নকরও দীর্ঘ লাইন, অনিয়মিত ওয়াই-ফাই ও নেটওয়ার্ক সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তবে আয়োজকদের দাবি, প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাকি দিনগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় আরও মসৃণ করা হবে। ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা এই সামিটকে বৈশ্বিক এআই আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবেই তুলে ধরছে সরকার।