
শুক্র গ্রহ নিয়ে গবেষণা শুরু ইসরোর - প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 26 November 2024 16:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাঁদ জয় হয়েছে। সূর্য নিয়েও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরো। এবার পালা শুক্রর। এই গ্রহের চারিদিকে ঘুরবে এমন স্যাটেলাইট প্রকল্পের অনুমোদন ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তরফে।
শুক্র নিয়ে গবেষণা ছাড়াও চাঁদ নিয়ে আরও গবেষণার কাজ করতে চলেছে ইসরো। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের আদলে ইসরো বানাবে স্পেস স্টেশনও। তার অনুমোদনও ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ইসরো ডিরেক্টর নীলেশ দেশাই। ভারতীয় গবেষণা সংস্থার পরবর্তী মিশনগুলি নিয়ে এখন ব্যাপক আলোচনা।
শুক্রযান
২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে 'শুক্রযান' মিশন শুরু হবে বলে জানিয়েছে ইসরো। এই মিশনের জন্য ভারত ১ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা খরচ করবে। এর মধ্যে ৮২৪ কোটি টাকা খরচ হবে শুধুমাত্র মহাকাশযানের জন্য। এই মিশনের মাধ্যমে ইসরো শুক্রের কক্ষপথে একটি মহাকাশযান পাঠাবে। শুক্রের পৃষ্ঠকে কেন্দ্র করে চলবে গবেষণা। সেখানকার বায়ুমণ্ডল বোঝার চেষ্টা করা হবে।
চন্দ্রযান-৪
‘চন্দ্রযান-৩’-এর সাফল্যের পর ‘চন্দ্রযান-৪’ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে ইসরো। এই অভিযান হওয়ার কথা ২০২৮ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে। এদিকে ‘চন্দ্রযান-৫’ অভিযানও যে ইসরোর পরিকল্পনায় আছে তাও জানিয়েছেন এস সোমনাথ। তাঁর কথায়, জাপানের মহাকাশ সংস্থা জাক্সা (জেএএক্সএ)-র সঙ্গে যৌথ এক অভিযানের কথা ভেবেছেন তাঁরা।
মঙ্গলযান
শুক্রের মতো মঙ্গল গ্রহ নিয়েও আগ্রহ দেখিয়েছে ইসরো। শুধু সেই গ্রহে উপগ্রহ পাঠানো নয়, মঙ্গলের মাটিতে নামার প্রচেষ্টাও করা হচ্ছে। যদিও এই মিশন কবে শুরু হবে তার নির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে এখনও জানানো হয়নি।
গগনযান
২০২৫ সালে এই অভিযান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফের একবার সিদ্ধান্তে বদল এনেছে ইসরো। নিরাপত্তার কারণে ২০২৫ সালে ‘গগনযান’ অভিযান করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। ২০২৬ সালে এই অভিযান করার কথা ঘোষণা করেছে ইসরো।
'গগনযান' অভিযান হল ভারতের প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযান। ২০১৮ সালে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রথম এই অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কথা ছিল ২০২২ সালেই এই অভিযান হবে। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে তা পিছিয়ে ২০২৪ করা হয়। পরে সেটাও পিছন হল।
প্রথম স্পেস স্টেশন
ইসরো সফল হলে ভারত নিজস্ব স্পেস স্টেশন পাবে। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের মতো বড় হবে না এটি। মোট পাঁচটি মডিউলে বিভক্ত থাকবে এই স্পেস স্টেশন। ২০২৮ সালের মধ্যে প্রথম মডিউলটি মহাকাশে ছাড়া হবে এবং আশা করা হচ্ছে ২০৩৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ স্পেশ স্টেশন তৈরি হয়ে যাবে।