আরব দুনিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিকে (Middle East Tension) অনেকেই শুধু তেল-গ্যাসের সমস্যা হিসেবে দেখছেন। কিন্তু ভারতের (India) ক্ষেত্রে সমস্যার পরিধি আরও অনেক বড়। তেল ছাড়াও সোনা, হিরে, সার, প্লাস্টিক থেকে বিমান শিল্প- বহু খাতই সঙ্কটে পড়তে পারে।

ছবি- এআই নির্মিত
শেষ আপডেট: 18 March 2026 13:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরব দুনিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিকে (Middle East Tension) অনেকেই শুধু তেল-গ্যাসের সমস্যা হিসেবে দেখছেন। কিন্তু ভারতের (India) ক্ষেত্রে সমস্যার পরিধি আরও অনেক বড়। তেল ছাড়াও সোনা, হিরে, সার, প্লাস্টিক থেকে বিমান শিল্প- বহু খাতই সঙ্কটে পড়তে পারে। কারণ ভারতের আমদানির বড় অংশই আসে ওই অঞ্চল থেকে। ২০২৪ সালে ভারতের মোট অ-জ্বালানি আমদানির প্রায় ১০ শতাংশ এসেছে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি (West Asia Countries) থেকে। ফলে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বহু গুরুত্বপূর্ণ খাতে বড়সড় ধাক্কা লাগতে পারে।
কোন খাতগুলিতে সবচেয়ে বেশি বিপদ?
এই নির্ভরতা থাকায় আমদানি বন্ধ হলে দাম বাড়বে, সরবরাহ কমবে এবং একাধিক শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
রফতানিতেও ধাক্কা লাগতে পারে
ভারত আরবদুনিয়া থেকে সোনা, হিরে, মূল্যবান ধাতু আমদানি করে এখানে প্রক্রিয়াজাত করে রফতানি করে। আমদানি কমলে গয়না-সহ একাধিক প্রস্তুতিপণ্য রফতানির ওপরও প্রভাব পড়বে।
কোথা থেকে বিকল্প পাওয়া যেতে পারে?
সার নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা কেন?
ভারত পশ্চিম এশিয়া-নির্ভর নাইট্রোজেনভিত্তিক সারের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। সরবরাহ ব্যাহত হলে-
ভারতের সামগ্রিক অর্থনীতির অবস্থা কেমন?
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ভারতের ম্যাক্রো ইকনোমিক অবস্থান এখনও যথেষ্ট শক্ত।
এসব ব্যবস্থা আঘাত কিছুটা কমাতে পারে।
তেলের দাম বৃদ্ধি বা জ্বালানি সঙ্কটই খবরের শিরোনাম হলেও বাস্তবে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধ ভারতের আরও বহু গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খলকে নাড়িয়ে দিতে পারে। কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য- সব ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়তে পারে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে।