.jpeg)
শেষ আপডেট: 10 May 2025 18:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের পহেলগামে জঙ্গি হামলার জবাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া সামরিক বার্তা দিল ভারত (India Pakistan War)। শনিবার সেনার তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে পাকিস্তানের ছ’টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। হামলার লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের সামরিক কার্যকলাপ, ড্রোন অপারেশন ও এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্কের মূল ঘাঁটিগুলি (India Pakistan War Latest Update)।
কৌতূহলের বিষয় হল বেছে বেছে কেন এই ৬টি পাক বিমানঘাঁটিতে হামলা (India Pakistan War) চালাল ভারতীয় বায়ুসেনা?
ইসলামাবাদ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বেসটি পাকিস্তানের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটি। এখানে বিমান বাহিনীর অপারেশনের পাশাপাশি ভিআইপি পরিবহণের ব্যবস্থাও রয়েছে। অতীতে ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের যুদ্ধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এই ঘাঁটি। এটি পাকিস্তানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের ব্যবহৃত ট্রান্সপোর্ট স্কোয়াড্রনগুলির কেন্দ্র। ভারতের এই হামলা পাকিস্তানের 'সুরক্ষিত অঞ্চল'কে নিশানা করার বার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে (India Pakistan War Latest Update)।
গত কয়েকদিন ধরে ভারতের ওপর চালানো ড্রোন হানার মূল ঘাঁটি ছিল এই বেস। এখান থেকে শাহপার-১ ও বাইরাকতার টিবি-২-র মতো অ্যাডভান্সড ইউএভি ও ইউসিএভি পরিচালিত হয়। এই ঘাঁটির উপর হামলা পাকিস্তানের ড্রোন যুদ্ধনীতির (India Pakistan War Latest Update) বিরুদ্ধে সরাসরি জবাব।
১৯৬৫-র যুদ্ধে পাক বায়ুসেনায় অন্যতম মুখ ছিলেন স্কোয়াড্রন লিডার সরফরাজ আহমেদ রফিকি। তাঁর নামে নামাঙ্কিত এই বেসে রয়েছে জেএফ-১৭ (JF-17) ও মিরাজ যুদ্ধবিমান, পাশাপাশি হেলিকপ্টার স্কোয়াড্রন। পাকিস্তানের সাম্প্রতিক হামলায় এই ঘাঁটির বিমানগুলির সক্রিয় ছিল বলে খবর। পাকিস্তানের পূর্ব ও পশ্চিম ফ্রন্টে দ্রুত মোতায়েনের জন্য এই বিমানঘাঁটির গুরুত্ব রয়েছে।
দক্ষিণ পাঞ্জাবের এই বিমানঘাঁটিটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের রাজস্থান সীমান্তের মুখোমুখি রয়েছে এই বিমানঘাঁটি। পাকিস্তানের ফরোয়ার্ড অপারেটিং বেসের মধ্যে এটা অন্যতম।
সিন্ধের জামশোরো জেলার এই ঘাঁটি দক্ষিণ কমান্ডের অন্তর্গত এবং এফ-১৬এ/বি ব্লক ১৫ ADF বিমান পরিচালিত হয় এখান থেকে। পাকিস্তানের সাম্প্রতিক আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিতে এই বেসের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
লাহোর থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই ঘাঁটি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর অন্যতম সক্রিয় অপারেশনাল ঘাঁটি।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৬ বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের বায়ুসেনার মাজা ভেঙে দিতে চাইছে নয়াদিল্লি। কারণ, এখান থেকে যাতে ভারতের বিরুদ্ধে ড্রোন বা বিমান হানা হতে না পারে।