
আমেরিকা ও আন্তর্জাতিক বাজারে শেয়ার সূচকে ধস নেমেছে।
শেষ আপডেট: 7 April 2025 11:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'ভারতবন্ধু' ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন শুল্কনীতির বদলায় আমেরিকার উপর অতিরিক্ত মাশুলের বোঝা চাপাতে পিছু হটছে। চিন যেমন মার্কিন আমদানি শুল্কের বদলায় পাল্টা করনীতি চাপিয়েছে, খুব সম্ভবত ভারত সেই ঠান্ডাযুদ্ধে যেতে না চেয়ে আলোচনার রাস্তায় হাঁটতে চলেছে। কারণ, ট্রাম্প ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, আমেরিকা ও আন্তর্জাতিক বাজারে শেয়ার সূচকে যে ধস নেমেছে বা আগামী দিনে ঘটতে চলেছে, তা আমি বলতে পারব না। তবে আমাদের দেশ আর্থিক দিক দিয়ে অনেক মজবুত জায়গায় রয়েছে। অর্থাৎ, ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, শুল্ক-বদলা নীতি থেকে তিনি পিছু হটছেন না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমেরিকা ও আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারে পতনের বিষয়ে আরও বলেছেন, কোনও রোগ সারাতে অনেক সময়েই দাওয়াইয়ের প্রয়োজন পড়ে। অর্থাৎ, শুল্ক পরিকল্পনা থেকে পিছন ফেরার কোনও ইঙ্গিত তাঁর কথায় ছিল না। ফ্লোরিডায় সপ্তাহ শেষে গল্ফ খেলে ওয়াশিংটনে ফেরার সময় এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কোনও অসুখ সারাতে গেলে ওষুধের প্রয়োজন পড়ে।
শুল্কনীতি নিয়ে বলতে গিয়ে ট্রাম্প এর আগের জো বাইডেন সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে বলেন, কিছু দেশ আমেরিকার কাছ থেকে বছরের পর বছর ধরে অতিরিক্ত শুল্ক আদায় করেছে। দেশেরই বাণিজ্য শরিকরা আমেরিকার সঙ্গে 'খারাপ' আচরণ করেছে। তাঁর কথায়, আমাদের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপভাবে শুষে গিয়েছে অন্য দেশগুলি। একটি নির্বোধ নেতৃত্ব এটা হতে দিয়েছে। কিন্তু, এখন থেকে সেটা হতে দেওয়া যাবে না। আমাদের অর্থনীতি অত্যন্ত শক্তিশালী আছে. সুতরাং, বিশ্ব বাজারে বা অভ্যন্তরীণ বাজারে কী হচ্ছে, তা আমার জানা না থাকলেও এই দাওয়াইয়ের প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প কারও নাম না করে আরও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, তিনি উইকএন্ডে অনেক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে কথা বলেছেন। আর তাতে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, তাঁদের বেশিরভাগই একটি আপসরফায় আসতে চাইছেন। সেই ইঙ্গিত মিলছে ভারতের দিক থেকেও। কারণ সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রাম্পের শুল্কনীতি বদলায় ভারত চিনের মতো পাল্টা শুল্ক বসানোর রাস্তায় যেতে চাইছে না। সে জায়গায় আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির একটি রফাসূত্রে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে।