Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ভারতীয় নৌসেনার দাপট, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মোতায়েন ১১টি সাবমেরিন, ৩৫টি দুর্ধর্ষ রণতরী

নৌসেনা সূত্রে জানা গেছে, ১০টি রণতরী যাবে উত্তর আরব সাগর, লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর এবং সোমালিয়ার পূর্ব উপকূল এলাকায়।

ভারতীয় নৌসেনার দাপট, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মোতায়েন ১১টি সাবমেরিন, ৩৫টি দুর্ধর্ষ রণতরী

শেষ আপডেট: 25 March 2024 07:25

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত মহাসাগরে উত্তরোত্তর গতিবিধি বাড়াচ্ছে  চিন।  সম্প্রতি ভারতের অনুমতি না নিয়েই ভারত মহাসাগরের বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকায় (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন) ঢুকে পড়েছিল ‘শি ইয়ান ১’ নামে চিনের একটি জাহাজ। ভারতীয় নৌবাহিনী পিছু ধাওয়া করে এলাকাছাড়া করে সেটিকে। এদিকে লোহিত সাগরেও বাড়ছে জলদস্যুদের উৎপাত। সম্প্রতি লোহিত সাগরে জলদস্যুদের সঙ্গে লড়ে তাদের অপহৃত জাহাজ ছিনিয়ে এনেছিল ভারতীয় নৌসেনা। এবার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাগর-মহাসাগরে ১১টি সাবমেরিন মোতায়েন করল ভারত যা আগে কখনও হয়নি।

নৌসেনা সূত্রে জানা গেছে, ১০টি রণতরী যাবে উত্তর আরব সাগর, লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর এবং সোমালিয়ার পূর্ব উপকূল এলাকায়। জলদস্যুদের দমন করার পাশাপাশি হুথি বিদ্রোহীদের ঠান্ডা করতে পাঠানো হয়েছে ৩৫টি রণতরীকেও। রণতরীগুলি কাজ করবে বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের দক্ষিণাঞ্চলে। নৌবাহিনীর প্রধান, অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার বলেছেন, ১১টি সাবমেরিন, ৩৫টি যুদ্ধজাহাজ ও ৫টি যুদ্ধবিমান সমুদ্রে মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। ওই এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে সুরক্ষা দেবে এই রণতরীগুলো।

চিনের সেনার উৎপাতে সমুদ্রে সুরক্ষা আরও কয়েকগুণ বাড়াচ্ছে ভারত। সমুদ্রে চিনের আগ্রাসী নীতিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েই জাপান, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াকে সঙ্গে নিয়ে চার শক্তির কোয়াডের বৃহত্তর নৌসেনা মহড়া করেছে ভারত। প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গেছে, ডিজেল-ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিনের সংখ্যা বাড়ানো তো হবেই, পাশাপাশি নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের সংখ্যাও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এই প্রকল্পে গতি আনতে ইতিমধ্যেই পাঁচটি সংস্থাকে ‘রিকোয়েস্ট ফর ইনফরমেশন’ (আরএফআই) পাঠিয়েছে ভারত। এর মধ্যে দুটি ভারতীয় সংস্থা লারসেন অ্যান্ড টার্বো গ্রুপ, মাজাগাঁও ডকস লিমিটেড ও তিনটি বিদেশি সংস্থা নেভাল গ্রুপ-ডিসিএনএস (ফ্রান্স), থাইজেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমস (জার্মানি) ও নাভানিতা (স্পেন)।

গালওয়ান সংঘাতের পরে দক্ষিণ চিন সাগরে আরও আগ্রাসী চিনের নৌবহর। ভারতও ইতিমধ্যেই সেখানে নিজেদের রণতরী পাঠিয়ে দিয়েছে। সূত্রের খবর, চিনের অ্যাটক সাবমেরিনের সংখ্যা ভারতের থেকে বেশি। চিনের হাতে এখন আছে ৫০টি সাবমেরিন। যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা সাড়ে তিনশোর বেশি। আগামী ৮-১০ বছরে এই সংখ্যায় পাঁচশোর কাছাকাছি পৌঁছবে। তবে নৌশক্তিতে পিছিয়ে নেই ভারতও। এখন দেশের হাতে আছে রাশিয়ার থেকে লিজ নেওয়া নিউক্লিয়ার সাবমেরিন আইএনএস চক্র। ২০২২ সাল পর্যন্ত এই সাবমেরিন ভারতের হাতেই থাকবে। ২০২৫ সালের মধ্যে নৌবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হবে আইএনএস চক্র-৩। তাছাড়া রয়েছে ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আইএনএস অরিহন্ত। ভারত ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্করপেন শ্রেণির দুটি সাবমেরিনও সমুদ্রে নামিয়েছে ভারত। এদের নাম আইএনএস কলবরী এবং আইএনএস খান্ডেরি। স্করপেন শ্রেণির সাবমেরিন প্রযুক্তিতে ও আক্রমণাত্মক ক্ষমতায় সেরা। জলের তলায় নিঃশব্দে ঘোরাফেরা করতে পারে এই সাবমেরিন। ডিজেল-ইলেকট্রিক ক্লাসের থেকেও প্রযুক্তিতে উন্নত। গোপনে আঘাত করে শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজে। স্করপেন থেকে টর্পেডো ও অ্যান্টি-শিপ গাইডেড মিসাইলও নিক্ষেপ করা যায়। গোপনে শত্রুপক্ষের নৌবাহিনীর খবরও আনতে পারে এই ডুবোজাহাজ।


```