Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

খাবারের টাকা ছিল না, কেমব্রিজে চকোলেট খেয়ে দিন কাটাতেন মনমোহন! মেয়ে দামনের মুখে বাবার গল্প

১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়। প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং তখন স্কলারশিপ পেয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পড়ছেন।

খাবারের টাকা ছিল না, কেমব্রিজে চকোলেট খেয়ে দিন কাটাতেন মনমোহন! মেয়ে দামনের মুখে বাবার গল্প

ফাইল চিত্র

শেষ আপডেট: 28 December 2024 12:17

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়। প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং তখন স্কলারশিপ পেয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পড়ছেন। কিন্তু টাকার অভাবে সেই সময় পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তাঁর কাছে ছিল খুব কঠিন। এমনকি অনেক সময় তিনি খাবারও খেতেন না। একটি ক্যাডবেরি চকোলেট খেয়ে থাকতে হতো। মনমোহন সিংয়ের মেয়ে দামন সিং তাঁর বই 'স্ট্রিক্টলি পার্সোনাল: মনমোহন অ্যান্ড গুরশরণ'-এ এই গল্পগুলো তুলে ধরেছেন।  

১৯৫৭ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন মনমোহন সিং। কিন্তু তখনকার দিনে তাঁর সারা বছরের পড়াশোনার খরচ ছিল ৬০০ পাউন্ড, যেখানে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া স্কলারশিপ ছিল মাত্র ১৬০ পাউন্ড। বাকি টাকা তাঁর বাবার কাছ থেকে আসত। বইতে দামন লিখেছেন, 'মনমোহন খুবই সাধারণভাবে জীবনযাপন করতেন। ডাইনিং হলে সস্তার খাবার খেতেন। তিনি কখনও বাইরে খাবার খেতেন না। তাছাড়া খুব কমই মদ্যপান করতেন।'

তবে বাড়ি থেকে টাকা না এলে তিনি সমস্যায় পড়ে যেতেন। তখন কখনও কখনও তিনি খাবার না খেয়েও কাটাতেন। তা সত্ত্বেও তিনি সারা জীবনে কখনও কারও কাছ থেকে টাকা ধার করেননি, সেই সময় তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু মদনলাল সুদানের কাছ থেকে একবার সাহায্য চাওয়ার কথা ভেবেছিলেন। প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার পর মনমোহন মদনলালকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, 'এখন থেকে আর টাকা পাঠানোর প্রয়োজন নেই। আশা করছি পুরস্কার হিসেবে ২০ পাউন্ড পাব এবং হয়তো এক্সিবিশন স্কলারশিপও মিলবে।'  

মনমোহন সিংয়ের ব্যক্তিগত জীবনের কথা লিখতে গিয়ে দামন জানিয়েছেন, পারিবারিক মিলনমেলা বা পিকনিকে তাঁর বাবা গান গাইতেন। তিনি 'লগতা নেহি হ্যায় জি মেরা' এবং অমৃতা প্রীতমের কবিতা 'আখাঁ ওয়ারিশ শাহ নু' গাইতেন। দমন আরও লিখেছেন, তাঁর বাবা খুব ভাল রসবোধের অধিকারী ছিলেন। বন্ধুবান্ধব, এমনকি অর্থনীতিবিদদের সঙ্গেও তিনি মজা করতেন। যদিও পরিবারের সঙ্গে থাকলে তিনি কমই হাসতেন বা মজা করতেন। তবে প্রায়ই বিভিন্ন লোকজনকে মজার নাম দিয়ে ডাকতেন।  

পরিবারের সদস্যদের জন্য মনমোহন সিংয়ের দেওয়া নামগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, তাঁর স্ত্রী গুরশরণ কৌরকে 'গুরুদেব' এবং তিন মেয়েকে ‘কিক’, ‘লিটল নোআন’ ও ‘লিটল রাম’ নামে ডাকা। এমনকি পরিবারের পোষা কুকুর পেনুকেও তিনি বিভিন্ন মজার নাম দিয়ে ডাকতেন। 'স্ট্রিক্টলি পার্সোনাল' বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৪ সালে হারপারকলিন্স থেকে। এতে দামন সিং তাঁর বাবা-মায়ের জীবনের অজানা গল্পগুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন।


```