.webp)
শেষ আপডেট: 11 November 2024 07:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রে আর বিহার মডেল চায় না বিজেপি। পদ্ম শিবির চায় এবার বিধানসভা ভোট শাসক জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে মুখ্যমন্ত্রী হবেন দেবেন্দ্র ফড়ণবিশ। রাজ্যে আগামী ২০ নভেম্বর ২৮৮ আসনে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ভোট নেওয়া হবে। ভোটের দশ দিন আগে দেশের একটি নামজাদা সমীক্ষা সংস্থার জরিপে বলা হয়েছে, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকেই রাজ্যের বেশিরভাগ মানুষ ফের রাজ্য শাসনের ভার দিতে চান।
৪০ শতাংশ মানুষ শিন্ডেকে মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে আছে শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীর নেতা উদ্ধব ঠাকরে। তাঁকে পছন্দ ২১ শতাংশের। পছন্দের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন বিজেপির দেবেন্দ্র। তাঁকে পছন্দ ১৯ শতাংশ ভোটারের।
সমীক্ষায় আভাস দেওয়া হয়েছে ক্ষমতাসীন মহাউতি বা মহাজোটই ফের ক্ষমতায় ফিরতে পারে। ওই জোট ১৪৫ থেকে ১৬৫টি আসন পেতে পারে। বিরোধী কংগ্রেস-শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী)-এনসিপি (শরদ পাওয়ার গোষ্ঠী) পেতে পারে ১০৬ থেকে ১২৬টি আসন।
বলাইবাহুল্য শাসক জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে বিজেপির হাতেই থাকবে সিংহভাগ আসন। পদ্মশিবির একশোর বেশি আসনে জয়লাভের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ঝাঁপিয়েছে। স্বভাতই শাসক শিবিরে জল্পনা আছে কে হবেন জোটের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। শিন্ডেকে আমজনতার পয়লা পছন্দ হলেও বিজেপি চাইছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমানে উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিশকে ফের মুখ্যমন্ত্রী করতে। এদিকে, ভোটের আগেই জোটের আর এক শরিক এনসিপি (অজিত গোষ্ঠী)-র অজিত পাওয়ার দাবি জানিয়ে রেখেছেন আসন যে দল যাই পাক না কেন এবার তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী কুর্সি এগিয়ে দিতে হবে।
গত সপ্তাহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্যে স্পষ্ট আভাস ছিল ক্ষমতায় টিকে গেলে বিজেপি এবার মুখ্যমন্ত্রীর আসন দাবি করবে। বিহারে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়েও যেভাবে নীতীশ কুমারকে মুখ্যমন্ত্রী মেনে নিয়ে সরকার চালাচ্ছে মহারাষ্ট্রে তার দীর্ঘায়িত করতে চায় না।
শাহ দুটি জনসভায় বলেন, মহারাষ্ট্রের মানুষের মুড বলছে তারা চান ক্ষমতাসীন জোট ফের সরকার পরিচালনার ভার পাক এবং ফড়ণবিশ পুনর্নিবাচিত হন। শাহ আলাদা করে শুধু ফড়ণবিশের নাম বলায় জল্পনা শুরু হয়েছে বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রীকে ফের মুখ্যমন্ত্রী করতে চায় বিজেপি।
শাহের কথা ভালভাবে নেয়নি অজিত পাওয়ার ও শিন্ডের দল। প্রকাশ্যে বিরোধিতাও করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শাহ রবিবার দলের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের সময় বলেন, এখন সব শরিকের কাজ হল জোটের প্রার্থীদের জেতানো। জল্পনা, জলঘোলা করে সময় নষ্ট করার অর্থহীন।