
শেষ আপডেট: 3 October 2023 23:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে চাননি বলে অভিযোগ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে অভিষেক ও তৃণমূলের সাংসদ-মন্ত্রীদের চ্যাংদোলা করে কৃষিভবন থেকে বের করে দেয় পুলিশ। কিন্তু সাধ্বী নিরঞ্জনের পাল্টা দাবি, দেখা করার জন্য রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত তিনি মন্ত্রকেই ছিলেন। তাঁর আড়াই ঘণ্টা সময় নষ্ট হল।
आज 02:30 घंटे का समय व्यर्थ गया।
— Sadhvi Niranjan Jyoti (@SadhviNiranjan) October 3, 2023
आज तृणमूल के सांसदों की प्रतीक्षा करते करते 08:30 बजे कार्यालय से निकली हूँ।
मेरी जानकारी के अनुसार तृणमूल के सांसद और बंगाल के मंत्रियों के प्रतिनिधिमण्डल ने कार्यालय में 06:00 बजे मिलने का समय लिया था।
…cont pic.twitter.com/SYY53ugkWK
সাধ্বী নিরঞ্জন এদিন যখন এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন, ততক্ষণে অভিষেকদের প্রিজন ভ্যানে তুলে নয়া পুলিশ লাইনে নিয়ে গিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সাধ্বী লিখেছেন, “আজ আড়াই ঘণ্টা সময় নষ্ট হল। তৃণমূলের সাংসদদের জন্য অপেক্ষা করে করে শেষমেশ সাড়ে ৮টার সময়ে অফিস থেকে বেরিয়েছি”।
তাঁর কথায়, “আমি জানতাম যে তৃণমূলের সাংসদ ও মন্ত্রীরা আমার সঙ্গে ৬টার সময়ে দেখা করতে আসবেন। সেজন্য সময় নিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু পরে তৃণমূলের কর্মীদের সাধারণ জনতা দাবি করে তাঁদের নিয়ে ওঁরা দেখা করতে চাইছিল। যা অফিসের নিয়ম বিরুদ্ধ।” মোদীর মন্ত্রীর বক্তব্য, আসল বিষয় নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্য তৃণমূলের ছিল না। ওঁদের উদ্দেশ্য ছিল রাজনীতি করা। এ ঘটনা অত্যন্ত লজ্জার।
সাধ্বীর এই দাবির পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “একশ দিনের কাজে যাঁরা মজুরি পাননি সেই সব মানুষগুলোকে নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিষেক। আমরাও ছিলাম সেখানে। কিন্তু প্রান্তিক গরিব মানুষগুলোর চোখে চোখ রেখে মিথ্যা বলতে পারেননি মোদীর মন্ত্রী। তাই পালিয়ে গিয়েছেন। আর এখন সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মিথ্যাচার করছেন। এটা অন্যায় শুধু নয়, ন্যক্কারজনক”।