
প্রাক্তন সেনাকর্তা ও স্ত্রী
শেষ আপডেট: 24 January 2025 13:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রথমে স্ত্রীর দেহ ফালা ফালা করে কাটেন, তারপর বাথরুমে গিয়ে হামানদিস্তায় হাড় গুঁড়ো গুঁড়ো করেন। পরে সেই গুঁড়োই তিনদিন ধরে সেদ্ধ করেন প্রেশার কুকারে। হায়দরাবাদ কাণ্ডে পুলিশের কাছে বীভৎস ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের ও খুনের স্বীকারোক্তির পরও এখনও প্রাক্তন সেনা কর্তাকে খাতায় কলমে গ্রেফতার করা হয়নি। আপাতত নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। অভিযুক্ত ওই সেনা কর্তার নাম গুরুমূর্তি। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, ৩৫ বছর বয়সি স্ত্রী মাধবীর সঙ্গে ঝগড়া চলাকালীন রাগের মাথায় দেওয়ালে মাথা ঠুকে দিয়েছিলেন তিনি। তাতে ঘটনাস্থলেই মহিলার মৃত্যু হয়।
জেরাও আরও জানান, খুনের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে রান্নাঘর থেকে ছুরি এনে স্ত্রীর দেহ ফালা ফালা করে কেটে ফেলেন। তার পর প্রায় পাঁচ-ছ'ঘণ্টা ধরে প্রেশার কুকারে সেই হাড়-মাংস সেদ্ধ করেন। সেই মাংস-হাড়ের গুঁড়ো বিভিন্ন জায়গায় ফেলেছেন বলে দবি করেন অভিযুক্ত। কাছের একটি ঝিলে সেগুলি ফেলা হয়েছে বলে জানান। কিন্তু তল্লাশি করে কোথায় দেহাংশ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
বেশ কয়েকদিন আগে থানায় মেয়ের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছিল পরিবার। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় প্রথমেই তাঁর স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু শুরু থেকেই তাঁর বয়ানে অসঙ্গতি মিলছিল। যুবককে একটু চাপ দেওয়ার পরই যে তথ্য সামনে আসে তা শুনে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় পুলিশের।