
শেষ আপডেট: 24 March 2024 09:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীঘ্রই সেই দিনটা আসতে চলেছে, যখন আপনি সুরাতে টিফিন করে মুম্বইতে গিয়ে অফিসের কাজ সেরে রাতে আবার বাড়িতে ফিরতে পারবেন!
বুলেট ট্রেন প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শনিবার একথা জানান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
শনিবার এডিটিভির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রেলমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, "ভারতের বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি খুব ভালভাবে এগিয়ে চলেছে এবং মুম্বই থেকে আহমেদাবাদের প্রথম করিডোরের কাজ প্রায় শেষের পথে।"
এর ফলে পরিবহণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও দেশের অগ্রগতি হবে। রেলমন্ত্রী জানান, প্রথম পর্যায়ে বুলেট ট্রেন চলবে মুম্বই, থানে, ভাপি, বরোদা, সুরাত, আনন্দ এবং আহমেদাবাদে। এরপরই রসিকতার সুরে রেলমন্ত্রী বলেন, "তাই আপনি চাইলে সুরাতে নাস্তা করে মুম্বইতে অফিসের কাজে যোগ দিয়ে আবার রাতে বাড়ি ফিরে আসতে পারবেন।"
গত বছরের ৭ ডিসেম্বর আহমেদাবাদের সবরমতি মাল্টিমোডাল পরিবহণ কেন্দ্রে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের প্রস্তাবিত টার্মিনালের ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন রেলমন্ত্রী। ইতিমধ্যে ৯০ শতাংশ কাজও সম্পূর্ণ হয়ে গেছে বলে দাবি রেলমন্ত্রীর।
২০১৭ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শিলান্যা্সের সময় সরকার অনুমান করেছিল, যে প্রকল্পটি রূপায়ণে ব্যয় হবে প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্প মোট ব্যয়ের ৮১ শতাংশ ০.১ শতাংশ হারে ভারতকে ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জাপান। ০.০১ শতাংশ সুদের হারে ৫০ বছরের মধ্যে ওই ঋণ শোধ করতে হবে ভারতকে।
আহমেদাবাদে বুলেট ট্রেনের নয়া এই ঝাঁ চকচকে টার্মিনাল তৈরি হওয়ার পর আগামীদিনে দিল্লি-বারানসী, দিল্লি-আহমদাবাদ, মুম্বই-নাগপুর, মুম্বই-হায়দ্রাবাদ, চেন্নাই – মহীশূর এবং দিল্লি-অমৃতসরের মধ্যে বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
ঘণ্টায় ৩৫০ কিমি বেগে ছুটবে বুলেট ট্রেন। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে টানেল এবং সমুদ্রের নিচে ৫০৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি ডাবললাইন তৈরি করা হচ্ছে। ফলে আগামীদিনে বিমান পরিবহণের চাপও অনেকখানি কমবে।