Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

বিতর্কে ‘হালাল সার্টিফিকেট’, বহু খাবারের বিক্রি নিষিদ্ধ করার পথে যোগী সরকার

‘হালাল’ লেখা খাবার বিক্রি নিষিদ্ধ করতে পারে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। সে রাজ্য প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ সূত্র জাতীয় সংবাদমাধ্যমকে সরকারের এমন ভাবনার কথা জানিয়েছে। 

বিতর্কে ‘হালাল সার্টিফিকেট’, বহু খাবারের বিক্রি নিষিদ্ধ করার পথে যোগী সরকার

শেষ আপডেট: 18 November 2023 19:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশে ‘হালাল’ লেখা খাবার বিক্রি নিষিদ্ধ করতে পারে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। রাজ্য প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ সূত্র জাতীয় সংবাদমাধ্যমকে সরকারের এমন ভাবনার কথা জানিয়েছে। 

লখনউয়ের হজরতগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকার নড়েচড়ে বসেছে বলে খবর। থানায় অভিযোগ করা হয়, বেশ কিছু খাদ্যপণ্য বাজারে বিক্রি হচ্ছে যেগুলিতে হালাল সার্টিফিকেটের উল্লেখ রয়েছে। এইভাবে মানুষের বিশ্বাসকে পণ্য বিক্রির উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাস্তবে হালাল সার্টিফিকেটের কোনও সরকারি স্বীকৃতি নেই।

হালাল হল একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ যা বৈধ বা নিয়মনিষ্ঠ। এর বিপরীত শব্দটি হল হারাম অর্থাৎ যা গ্রহণযোগ্য নয়, মন্দ, অশুভ, আল্লাহর অপছন্দ। তবে হালাল শব্দটির বহুল ব্যবহার হল পশু জবাইয়ের পদ্ধতি হিসাবে। পশু বলির ইসলামিক রীতিকে হালাল বলা হয়। সেখান থেকে হালাল মাংস কথাটি এসেছে। অর্থাৎ যে মাংস হালাল পদ্ধতিতে জবাব করা পশুর। 

অনেক ধর্মেরই নিজস্ব খাদ্য প্রস্তুত প্রণালী, পশু জবাবের নিজস্ব বিধি আছে। ধর্মপ্রাণ ইহুদিরা যেমন শুধুমাত্র কশরুত খাদ্য প্রণালী অনুসরণ করে তৈরি খাদ্যই গ্রহণ করে থাকেন। হিন্দু এবং শিখরা পশু বলির যে পদ্ধতি অনুসরণ করেন তাকে বলে ঝাটকা। 

ইসলামিক রীতিতে জীবনযাপনে পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে হালাল কথাটির বহুল ব্যবহার থাকলেও শব্দটির মূল অর্থ যা ধর্মীর বিধান সম্মত। অনেক খাবার এবং নিত্য ব্যবহৃত পণ্যের গায়ে হালাল লেখার চল আছে। বিশেষ করে মুসলিমদের বাস বেশি এমন এলাকায় দোকান, বাজারে হালাল লেখা পণ্য বিক্রি হয়ে থাকে। উত্তরপ্রদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। 

যদিও এর কোনও সরকারি স্বীকৃতি নেই। ভারতে খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট দেওয়ার অধিকারী সংস্থাটি হল এফএসএসএআই বা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অর্থরিটি অফ ইন্ডিয়া। যদিও হালাল ইন্ডিয়া নামে একটি প্রতিষ্ঠান বহু বছর ধরে কাজ করছে এবং তারা সার্টিফিকেট দিয়ে থাকে। এই প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেটে মান্যতা দেয় কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, মালয়েশিয়া-সহ বহু দেশ। সেই সূত্রে ভারত বিপূল বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে। যদিও হিন্দুত্ববাদী কিছু সংগঠন হালাল সার্টিফিকেটের বিরোধিতা করে আসছে। গত বছর কর্নাটকে দেশের একটি প্রাচীন আয়ুর্বেদিক ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানির পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছিল হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠন। ওই সংস্থার পণ্যে হালাল সার্টিফিকেটের উল্লেখ ছিল।


```