
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 20 October 2024 13:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিদেশে পড়তে যাওয়া বর্তমান প্রজন্মের কাছে একটি ভয়াবহ রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শনিবার রাজস্থানের একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়।
যুব সমাজের এই পদক্ষেপকে ‘ব্রেন ডেন’ কটাক্ষ করে উপরাষ্ট্রপতি জানান, তিনি একেবারেই এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন না। শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণে এর বড়সড় প্রভাব পড়ছে।
কেন এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যুব প্রজন্ম? সেই প্রশ্নের উত্তরে ধনকড় জানান এটা এখন একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে কারণেই সেখানে কী সুযোগসুবিধা পাবে না পাবে এসব না ভেবেই বাইরের দেশে লেখাপড়ার জন্য পাড়ি দিচ্ছেন বহু পড়ুয়া। কিন্তু আখেরে তাঁদের লাভ তো হচ্ছেই না উল্টে ক্ষতিই বেশি হচ্ছে।
এরপরই তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২৪ সালে ১৩ লাখেরও বেশি পড়ুয়া বিদেশে গিয়েছেন লেখাপড়ার করতে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পরই তাঁরা বুঝতে পারছেন দেশের মাটিতে থেকে লেখাপড়া চালিয়ে গেলেই ভাল হত।
एक नई बीमारी और है बच्चों में - विदेश जाने की।
— Vice-President of India (@VPIndia) October 19, 2024
बच्चा उत्साहपूर्वक विदेश जाना चाहता है, उसको नया सपना दिखता है; लेकिन कोई आकलन नहीं है कि किस संस्था में जा रहा है, किस देश में जा रहा है।
अंदाजा है कि 2024 में, लगभग 13 लाख छात्र छात्राएं विदेश गए। उनके भविष्य का क्या होगा उसका… pic.twitter.com/BoPZlNglnq
উপরাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত করার ফলে দেশের চরম সর্বনাশ হচ্ছে। দ্রুত এটাকে আটকানোর জন্য পড়ুয়াদের কাছে অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।
উপরাষ্ট্রপতি সাবধান করেন, ভাবুন তো ৬০০ কোটি টাকা যদি বিদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য খরচ করা হয়, তাহলে ভারতে তার কেমন প্রভাব পড়ছে। ধনকড়ের এমন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এর জন্য দায়ী মোদী সরকারই। উপরাষ্ট্রপতি মুখে যাই বলুন না কেন, ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার হাল কেমন তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার।