
শেষ আপডেট: 26 October 2023 07:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইজরায়েলি হানায় ক্ষতবিক্ষত গাজা স্ট্রিপ। একদিকে ছোট্ট জনপদটা থেকে ইজরায়েলকে নিশানা করে হামলা চালাচ্ছে হামাস, অন্যদিকে ইজরায়েলি বাহিনী হামাসকে নিকেশ করতে একের পর এক মারণাস্ত্রের হামলা করে যাচ্ছে গাজায়। হাজার হাজার সাধারণ মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। গাজায় এই সঙ্কটই উদ্বেগ তৈরি করেছে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে। কেন্দ্রের চিন্তা, গাজায় যে সঙ্কট তৈরি হয়েছে, তা জম্মু-কাশ্মীরেও হতে পারে। ফের একবার জঙ্গি নাশকতায় রক্তাক্ত হতে পারে উপত্যকা।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা জানাচ্ছে, উপত্যকায় ফের জঙ্গি গতিবিধি টের পাওয়া যাচ্ছে। সেই নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বুধবারই জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে ১৫ কর্পসের সদর দফতরে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে নতুন নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। জম্মু-কাশ্মীরে যদি ফের বিক্ষোভের পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে তা কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে সেই নিয়ে স্ট্র্যাটেজিও ঠিক হয়েছে সেই বৈঠকে।
আফগানিস্তানে তালিবান সরকার গঠনের পরেই জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সবিস্তার পর্যালোচনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তালিবান সরকার গঠনের পরে নিরাপত্তার দিক থেকে কাশ্মীর কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে প্রত্যাশিত ভাবে তা নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের মদতে কাশ্মীরে তালিবানি আগ্রাসন হোক বা না হোক, উপত্যকার মানুষ কিন্তু দশকের পর দশক ধরেই সামরিকীকরণের শিকার। তার উপর গাজার পরিস্থিতি ফের সঙ্কট তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উপত্যকাবাসী ফের বিক্ষোভ শুরু করলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়বে। তাছাড়া পাক চর ও জঙ্গিদের উস্কানি তো আছেই।
চলতি বছরে উপত্যকায় ৪৬ জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে, এর মধ্যে ৩৭ জনই পাকিস্তানি। নিরাপত্তাবাহিনীও উপত্যকাজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই জঙ্গি ডেরা লক্ষ্য করে অতর্কিতে অভিযান চালাচ্ছে সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। নিকেশ করা হচ্ছে সন্ত্রাসবাদীদের।